Published on
:
1 min read
এই সময়, ময়নাগুড়ি: তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়েছে হেক্টরের পর হেক্টর জমি। জমি হারিয়ে প্রায় বন্ধ এলাকার কৃষিকাজ। যেখানে আশ্বিনে মাথা উঁকি দিয়ে জানান দিত কাশফুল, সেখানে আজ ধুধু করছে বালির চর। এমনই অবস্থা ময়নাগুড়ির তিস্তা সেতু সংলগ্ন বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের মরিচবাড়ি গ্রামের।
জমি হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে পারেননি এলাকার শতাধিক চাষি। তবু সেই স্মৃতি কাটিয়ে পুজোয় সামিল হয়েছেন তাঁরা। এখানে পুজোর মূল আকর্ষণ রাবণ বধ। এ বার সপ্তম বছরে পড়ল পুজো। গ্রামের মহিলারাই আয়োজন করেন।
বাসিন্দা শিউলি কীর্তনীয়া, পদ্মাবতী কবিরাজ, শান্ত ব্যাপারী বলেন, 'দুর্গাপুজোর পরে দশমীতে রাবণ বধ করা হয়, যা দেখতে হাজারো মানুষ এখানে আসেন।'
আর এক বাসিন্দা গোবিন্দ কীর্তনীয়া বলেন, 'পুজো নিয়ে চলতি বছরে সংশয় তৈরি হয়েছিল। যেখানে মণ্ডপ তৈরি করা হয়, সেখানকার বেশিরভাগ জায়গা তিস্তায় ভেসে গিয়েছে। অল্প জায়গার উপরে ভরসা করেই পুজোর আয়োজন করা হয়েছে এ বার।' এই প্রথমবার রাজ্য সরকারের এক লক্ষ টাকার অনুদান মেলায় খানিকটা স্বস্তি মিলেছে আয়োজকদের।