ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় এক কোটি রেমিট্যান্সযোদ্ধা ঝুঁকিতে।
# ১০০টি ফ্লাইট বাতিল ১৫ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে
# আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামের সব ফ্লাইট স্থগিত
# ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শুধু সৌদি আরব থেকেই ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে
# অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের প্রায় ৩৫ শতাংশ সৌদি আরব থেকে আমদানি
# মোট আমদানিকৃত এলএনজির প্রায় ৬৪ শতাংশ আসে কাতার থেকে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় এক কোটি রেমিট্যান্সযোদ্ধা ঝুঁকিতে। বিমান চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী কর্মী ও যাত্রীদের যাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এতে একদিকে বিদেশে কর্মসংস্থানে যোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রবাসীদের আয় এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম উৎস রেমিট্যান্স নিয়েও নতুন শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ তার জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগই (প্রায় ৯৫%) আমদানির ওপর নির্ভর করে মেটায়, যার একটি বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও বিমান চলাচলে বিঘœ বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশির নিরাপত্তা, প্রবাসী আয় এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ এখন অনেকটাই অনিশ্চয়তার মুখে। বাংলাদেশের শ্রমবাজার, রেমিট্যান্স এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর সৌদি-ইয়েমেন সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্য সংকট বড়ধরনের প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শ্রম মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক)-এর সূত্রে এইসব তথ্য জানাযায়।
এদিকে, রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা প্রথমে আশঙ্কাজনক। ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরবে যাওয়া সাফাত রহমান তখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আরও ১২ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দূতাবাস প্রবাসীদের সতর্ক থাকতে, ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল এলাকা এড়িয়ে চলতে এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে বলেছে। সংঘাতের ছবি, ভিডিও বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও দেশটির আইন মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে (যেমনÑসৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন ইত্যাদি) সব মিলিয়ে প্রায় ৮০ লাখ (৮ মিলিয়ন) বা তারও বেশি বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত রয়েছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের প্রায় ৩৫ শতাংশ সৌদি আরব থেকে আমদানি হওয়ায় সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহ ও আমদানি ব্যয়ের ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে। তাৎক্ষণিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের প্রভাবের তথ্য না থাকলেও পরিস্থিতির দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট বার্ষিক রেমিট্যান্সের সিংহভাগ বা প্রায় অর্ধেকের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। মধ্যপ্রাচ্যের জিসিসি ভুক্ত দেশগুলো থেকে প্রতি বছর গড়ে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কোটি থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি) রেমিট্যান্স বাংলাদেশে আসে। এক বছরে শুধু সৌদি আরব থেকেই বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স আসে।
জ্বালানি আমদানিতেও ঝুঁকি: সূত্রে জানাযায়, বাংলাদেশ তার জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগই (প্রায় ৯৫%) আমদানির ওপর নির্ভর করে মেটায়, যার একটি বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’র জন্য প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের পুরোটা এবং প্রধান অংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এর মধ্যে একক দেশ হিসেবে সৌদি আরব থেকে প্রতিবছর প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টন ‘আরাবিয়ান লাইট’ ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ (প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টন) অপরিশোধিত তেল আসে। সবমিলিয়ে বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানির পরিকল্পনা ও চুক্তি থাকে। এছাড়াও দেশের বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে কাতার ও ওমানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বিপুল পরিমাণ এলএনজি আমদানি করা হয়। বাংলাদেশে মোট আমদানিকৃত এলএনজির প্রায় ৬৪ শতাংশ বা সিংহভাগই আসে কাতার থেকে। বছরে প্রায় ৬০ লাখ টন এলএনজি আমদানির একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সরবরাহকারীদের মাধ্যমেই আসে। রান্না ও গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের সিংহভাগ আমদানির উৎসও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ।
১০০টি ফ্লাইট বাতিল ১৫ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে: বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে ঢাকা থেকে সৌদিগামী মোট ৮৯টি ফ্লাইট (৩৯টি সরাসরি এবং ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট) বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে। এসব ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় অন্তত ১৪ হাজার ৬৫৫ জন প্রবাসী কর্মী, ওমরাহযাত্রী ও সাধারণ যাত্রী চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামের সব ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট চলাচল স্থগিত ঘোষণা করেছে। এছাড়া সৌদিয়া, রিয়াদ এয়ার এবং বিভিন্ন ট্রানজিট এয়ারলাইন্সের (যেমনÑইন্ডিগো, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ ইত্যাদি) ফ্লাইট চলাচলেও বড় ধরনের বিঘœ ঘটেছে। ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বের ফলে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ, টিকিট পুনরায় কেনা এবং যাত্রা-সংক্রান্ত অন্যান্য ব্যয় নিয়ে বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিদেশে যাওয়ার জন্য ধারদেনা করা কর্মীদের ক্ষেত্রে এ পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। শুধু সেপ্টেম্বরেই দেশটি ৩২ হাজার ৯১৫ জন বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। ফলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে নতুন কর্মীদের বিদেশযাত্রা এবং বিদ্যমান কর্মসংস্থানের ধারাবাহিকতাÑদুই ক্ষেত্রেই অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত রেমিট্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, সরকার বিদেশে কর্মসংস্থানের বিকল্প বাজার খোঁজার পাশাপাশি দেশে ফিরে আসা শ্রমিকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে।
সাবেক সিনিয়র কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সাকিব আলী বলেন, সৌদি আরবের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় টানাপোড়েন এড়িয়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা প্রয়োজন। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বাংলাদেশের জন্য কঠিন কূটনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এই বিশেষজ্ঞের মতে উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে তিনটি বিষয়Ñপ্রবাসীদের নিরাপত্তা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ¦ালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বিকল্প শ্রমবাজার অনুসন্ধান, দেশে ফেরা কর্মীদের দক্ষতা অনুযায়ী পুনর্বাসন, জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প প্রস্তুতি এবং প্রবাসীদের জন্য জরুরি সহায়তা জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বহুমাত্রিক। তাই সংঘাতের তাৎক্ষণিক প্রভাব সামাল দেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতিও জরুরি। কারণ, বিদেশে কর্মরত একজন শ্রমিকের কর্মসংস্থান অনিশ্চিত হওয়া মানে শুধু একটি পরিবারের আয় কমে যাওয়া নয়; এর প্রভাব পড়তে পারে দেশের রেমিট্যান্স, বৈদেশিক মুদ্রার জোগান এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতেও। তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন করে তীব্র সামরিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যকার সংঘাত এবং লোহিত সাগর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলা পাল্টাপাল্টি সামরিক অভিযানের প্রভাব এখন সরাসরি এসে ঠেকেছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর। আকাশপথে বিধিনিষেধ, ফ্লাইট বাতিল এবং মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ঝুঁকি দেশের নীতিনির্ধারক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই যুদ্ধাবস্থা প্রবাসীদের জীবনকে এক গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতে কর্মরত বাংলাদেশিরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকিতে থাকছেন।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফরমের সহযোগী পরিচালক, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ শরিফুল হাসান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান মধ্যপ্রাচ্য এবং মূলত সৌদিনির্ভর। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কর্মী পাঠানো কমছে। কর্মীরা যেমন যেতে পারছেন না, যারা দেশটিতে আছেন, তারাও হতাহত হচ্ছেন। এ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগের একটা নিরাপদ জায়গা ছিল মধ্যপ্রাচ্য। এখন সেটিও হুমকির মধ্যে পড়েছে। এ কারণে কর্মীর চাহিদা কমে যাবে। বড় রকমের বিপদের মধ্যে পড়তে পারে বাংলাদেশ। বেকারদের কর্মসংস্থান কমবে এবং প্রবাসী আয় কমতে থাকবে। তাই সরকারের উচিত, দেশের অর্থনীতির অন্যতম নির্ভরতার দেশ সৌদির সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করা। ঝুঁকি কমাতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা জরুরি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক জানান, সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর পরই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। যুদ্ধের মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ কর্মী গেছেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান শ্রমবাজারে যুদ্ধের কারণে সংকট সৃষ্টি হওয়ায় সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান শুরু করেছে। অর্থনীতি ও ভূরাজনীতি বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শুধু সৌদি আরব থেকেই ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। সংঘাতের কারণে সেখানে অর্থনৈতিক কর্মকা-ে স্থবিরতা তৈরি হলে বা বড় আকারে কর্মী ফেরত আসতে বাধ্য হলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
