কালবেলা · সাধারণ
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন ১২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
১৫/১০/২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী শিল্পাঞ্চলে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে একাধিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইনজেকশন, সিরাপ ও ক্যানসারের ওষুধ উৎপাদনকারী কারখানাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিটের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি, সিআরবি ও পুলিশকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হয়। প্রায় সাড়ে ১২ ঘণ্টার চেষ্টায় বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১০টা ২৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কারখানার ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এবং রাসায়নিক উপকরণের কারণে পরিবেশে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২’র একটি ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুনের ধোঁয়া ও রাসায়নিকের গন্ধ আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উদ্বেগ দেখা দেয়। কারখানায় বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপকরণ থাকায় আগুন নেভাতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।
অগ্নিকাণ্ডে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আগুন নেভানোর সময় ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
কারখানাটিতে একাধিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ওষুধ, উৎপাদনযন্ত্র, কাঁচামাল ও অন্যান্য সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আগুনে উৎপাদনব্যবস্থার কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা-ও স্পষ্ট নয়।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে গণমাধ্যমকর্মীরা কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। গণমাধ্যমকর্মীদের কারখানার ভেতরে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এতে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র ও কারখানার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗