ভোলার মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়নে জেলেদের সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও বিরোধের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাময়িকভাবে চাল বিতরণ বন্ধ হয়ে যায়।
এ সময় ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে এক সাংবাদিক মারধরের শিকার হয়েছেন বলে ছাত্রদল কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার কলাতলী ইউনিয়নের মনির বাজারে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাংবাদিকের নাম আ. গফুর সিকদার। তিনি দৈনিক স্বাধীন সংবাদ-এর মনপুরা উপজেলা প্রতিনিধি এবং মনপুরা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য।
বিবাদে জড়িয়ে পড়া ছাত্রদলের দুই কর্মী হলেন কলাতলী ইউনিয়নের শামীম ও সোহাগ। তারা দুজনই ওই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনির বাজারে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে জেলেদের সরকারি চাল বিতরণ চলছিল। এ সময় ছাত্রদল কর্মী শামীম ও সোহাগের অনুসারীরা নিজেদের মধ্যে হট্টগোলে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতির কারণে চাল বিতরণের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার ও মনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ. মতিন মাস্টার সাময়িকভাবে চাল বিতরণ বন্ধ রাখেন।
আ. গফুর সিকদার বলেন, জেলেদের চাল বিতরণের সময় ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। এ সময় ছবি ও ভিডিও ধারণ করায় তারা আমাকে মারধর করে।
এ বিষয়ে মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক একরাম কবির বলেন, কলাতলী ইউনিয়নে ছাত্রদলের কোনো কমিটি নেই। কোনো ব্যক্তির দায়ভার ছাত্রদল নেবে না।
চাল বিতরণ বন্ধের বিষয়ে ট্যাগ অফিসার আ. মতিন মাস্টার বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে গোলযোগের কারণে সাময়িকভাবে চাল বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছিল।
কলাতলী ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন জানান, ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধের কারণে কিছু সময়ের জন্য চাল বিতরণ বন্ধ ছিল। পরে আবার বিতরণ শুরু হয়।