এখন বর্ষাকাল বৃষ্টির পানির সঙ্গে সহজে পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে কারণ ও প্রতিকার তুলে ধরা হলো-
কারণ : বর্ষাকাল, বাড়ছে বৃষ্টি, রাস্তাঘাট পানিতে টইটুম্বর। এ সময় সুপেয় পানির অনেক সংকট দেখা দেয়, পানিতে জীবাণু খুব সহজে মিশে যায়, তাই সহজে পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ে ডায়রিয়া জাতীয় রোগ হয়। দ্বিতীয় হলো, টাইফয়েড জাতীয় রোগ হতে পারে। তিন নম্বর হলো, জন্ডিস বা জন্ডিস জাতীয় রোগ হতে পারে। তারপরও কিছু রোগ, যেমনÑ গ্যাস্ট্রোঅ্যান্ট্রোরাইটিজ বা খাদ্যনালির প্রদাহ হয়ে এ জাতীয় রোগ হতে পারে। এছাড়া আরও কিছু কিছু পানিবাহিত রোগ রয়েছে। এছাড়া প্রচলিত ফ্লু যেটা, সেটাও কিন্তু পানিবাহিত হয়। পানিতে যে ভাইরাস তৈরি হয়, সেই পানি যদি আমরা গ্রহণ করি এখান থেকে ফ্লু জাতীয় রোগ হতে পারে। আমরা যদি দূষিত পানি গ্রহণ করি, তাহলে এই জাতীয় সমস্যা হয়।
অপরিশুদ্ধ পানি পান করার মাধ্যমে অথবা সেই পানি রান্নার কাজে ব্যবহার করার ফলে যে ধরনের ব্যাধি সংক্রামিত হয়ে থাকে তাকেই বলা হয় পানিবাহিত রোগ বা জলবাহিত রোগ। এ ধরনের অসুখ সাধারণত পানিতে বিচরণশীল রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুদের দ্বারা সংঘটিত হয়। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুসারে প্রত্যেক বছর পৃথিবীতে প্রায় দশ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ হলো পানিবাহিত রোগ।
প্রতিকার : পানি ফুটিয়ে পান করুন। পানি পরিশোধন ট্যাবলেট বা ফিল্টার ব্যবহার করুন। খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করবেন না। খাবার আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর ভালোভাবে শাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। কাঁচা শাক-সবজি ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করুন। ‘জলাশয়ের পানি ব্যবহার করবেন না।’
ডা. এহসানুল মোমেন
ডেন্টাল সার্জন, বাংলাদেশ ডেন্টাল
কেয়ার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
বিডিএস, ইউনিভার্সিটি ডেন্টাল কলেজ এন্ড হসপিটাল (২০১২)
-20261014051149.jpg&w=1440&q=75)