ফ্রান্সে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জরাজীর্ণ অবকাঠামো, শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপ, দীর্ঘ ও অতিরিক্ত পাঠসূচি, শিক্ষক-কর্মচারীর সংকট এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক ছাত্র ইউনিয়নের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
বিজ্ঞাপন
আন্দোলনকারীদের কেউ কেউ উচ্চশিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে রাষ্ট্র পরিচালিত আবেদনব্যবস্থা বাতিলেরও দাবি জানাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া বৈষম্যমূলক।
প্যারিসের শ্রমজীবী মানুষের বসবাস অধ্যুষিত এলাকা সেইন-সাঁ-দেনির রোজা পার্কস হাইস্কুলের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইসাম মাখলুফি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষগুলোতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নেই। জানালাগুলোও আমরা ঠিকমতো খুলতে পারি না।’

তবে এখন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্যরাও বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানির ঊর্ধ্বমূল্য নিয়ে ক্ষোভ থেকে সাধারণ মানুষও রাজপথে নামছেন। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম আরও বেড়েছে, যা এই অসন্তোষকে বাড়িয়ে তুলেছে।
এদিকে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর দুই মেয়াদের সীমা থাকায় তার ক্ষমতায় থাকার সময়ও শেষের দিকে। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিক সংগঠন ও বামপন্থী দলগুলো চলমান বিক্ষোভকে সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তুলে ধরছে।
এমএমআর
