ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আগামী নভেম্বরের শুরুতে নতুন করে আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট। আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশের পর আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বিরোধীরা।
সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি জানান, আন্দোলনের কৌশল হিসেবে ফের বড় মিছিল আয়োজনের পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারকে অভিশংসনের দাবিতে একটি ‘মক পার্লামেন্ট’ বা প্রতীকী সংসদ অধিবেশন আয়োজনের প্রস্তাবও উঠেছে। সেখানে বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতিদের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
গত অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দিল্লিতে বিক্ষোভ মিছিল করে বিরোধীরা। ৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইন বাতিল এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) স্থগিতের দাবি জানায় তারা। ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৩ কোটি ভোটারের নাম পুনর্বহালের দাবিও তোলে বিরোধীরা। জবাবে ভোট চুরির অভিযোগের প্রমাণ চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি।
১২ অক্টোবর রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী নেতারা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা দেন। নির্বাচন কমিশনের একতরফা সিদ্ধান্ত এবং ভোটাধিকার থেকে যোগ্য নাগরিকদের বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়।
নবরাত্রি ও দুর্গাপুজোর কারণে আন্দোলনে সাময়িক বিরতির পর ফের জনসমর্থন বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলো। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণে বিভিন্ন শরিক দলকে নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটিও গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
আরএ
