Published on
:
1 min read
এই সময়, আলিপুরদুয়ার: ২১ মাস পরে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের জঙ্গল সাফারির অনলাইন বুকিং প্রথা ফিরল। অনলাইন ব্যবস্থা চালু হতেই পর্যটকদের জিপসি ও হাতি সাফারির বুকিংয়ের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। পঞ্চমীর দুপুরের মধ্যেই আগামী এক মাসের জন্যে জলদাপাড়ায় প্রায় ৭০ শতাংশ সাফারির আসন বুকিং হয়ে গিয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই হাসি চওড়া হয়েছে পর্যটন ব্যবসায়ী ও জিপসি মালিকদের। সাফারির অনলাইন বুকিং চালুতে জলদাপাড়ার হোটেল, লজ ও রিসর্টগুলিতে পর্যটকদের ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশে গত বছরের জানুয়ারি মাসে জঙ্গল সাফারির অনলাইন বুকিং বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রাজ্যে সরকার বদলের পর বুধবার থেকে বন দপ্তর জঙ্গল সাফারিতে ফের অনলাইন বুকিং ফিরিয়ে এনেছে। জলদাপাড়ায় জিপসি সাফারিতে ৯১২টি ও হাতি সাফারিতে ৪৮টি আসন রয়েছে। জলদাপাড়ার শালকুমার, চিলাপাতা, কোদালবস্তি, মাদারিহাট ও লঙ্কাপাড়া রুটে সাফারি চলবে। চিলাপাতা জিপসি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিমল রাভা বলেন, 'অনলাইন বুকিং চালু হতেই বুধবার এক রাতেই চিলাপাতায় সাফারির প্রায় ৫০ শতাংশ আসন বুকিং হয়ে গিয়েছে। প্রায় দু'বছর কাছাকাছি সময় সাফারির অনলাইন বুকিং বন্ধ থাকায় আমাদের ভীষণ ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।'
জলদাপাড়া জিপসি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক গণেশ ছেত্রীও বলেন, 'অনলাইন বুকিং চালু হতেই বুধবার রাত থেকে জলদাপাড়ায় লাফিয়ে লাফিয়ে সাফারির বুকিং বাড়ছে। আমরা অসম্ভব খুশি।' সাফারির অনলাইন বুকিং চালুতে জলদাপাড়ার হোটেল, হোমস্টে, লজ ও রিসর্ট মালিকদেরও বাড়তি রোজগারের সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। ইস্টার্ন ডুয়ার্স ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, 'দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে সফল হতে পেরে স্বস্তি পাচ্ছি। তবে বক্সার অচলাবস্থা পর্যটকদের সঠিক বার্তা দিচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে বন দপ্তরের দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত।'
