নাটোরের নলডাঙ্গায় একটি ডুমুর গাছের ডাল কাটা অংশ থেকে বের হচ্ছে পানির মতো তরল। আর সেই তরল পান করলেই মিলবে রোগমুক্তি, এমন বিশ্বাসে গাছটির নিচে ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের সমর্থন না থাকলেও লোকমুখে ছড়িয়ে পড়া এই বিশ্বাসে প্রতিদিনই বাড়ছে মানুষের আনাগোনা।
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগর ইউনিয়নের বাঁশিলা উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ডুমুর গাছকে ঘিরে ঘটছে এমন ঘটনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে গাছটির একটি ডাল কাটার পর সেখান থেকে আঠার পরিবর্তে পানির মতো তরল বের হতে শুরু করে। বিষয়টি আশপাশের মানুষের নজরে এলে ছড়িয়ে পড়ে নানা কথা। একপর্যায়ে ডালটির সঙ্গে পাতিল বেঁধে তরল সংগ্রহ শুরু হয়। এরপর রোগমুক্তির আশায় অনেকে সেই পানি পান করতে শুরু করেন। দিন যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে উৎসুক ও বিশ্বাসী মানুষের ভিড়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গাছটির ডাল কাটার পর তরল বের হতে দেখে গাছ কাটা বন্ধ রাখা হয়। বর্তমানে দিনে আনুমানিক দুই হাঁড়ি তরল সংগ্রহ করা হচ্ছে। গাছের মালিকের বাড়িতে তা সংরক্ষণ করা হয়। দূরদূরান্ত থেকেও মানুষ এসে সেই তরল পান করছেন।
গাছের পানি পান করতে আসা ব্যক্তিদের কেউ লোকমুখে এর গুণাগুণ শুনে এসেছেন, আবার কেউ দাবি করছেন, পানি পান করার পর তাদের শারীরিক সমস্যায় উন্নতি অনুভব হচ্ছে। তবে এসব দাবির সত্যতা যাচাইয়ের কোনো তথ্য বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জুনায়েদ আহমেদ লেলিন বলেন, এটি মানুষের অন্ধবিশ্বাস বা ভ্রান্ত ধারণা, যার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। পরিস্থিতি বেশি খারাপ হলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ নিতে হবে।
