সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস-উন-নূর বলেছেন, ইসলামের সুমহান খেদমতে দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দ্বীন ও দুনিয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঈমানি চেতনা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সৎ, আদর্শবান ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ঈমানি মজবুতি অর্জনে কোরআন-সুন্নাহর শিক্ষা, নিয়মিত আমল ও উত্তম চরিত্র গঠনে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পাঠদানের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে হবে। দ্বীনি শিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার বিকাশ ঘটাতে পারলে নৈতিকতাসম্পন্ন ও আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তিনি শনিবার তাহফীজুল কুরআন শিক্ষাবোর্ড সিলেটের উদ্যোগে আয়োজিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানীর সভাপতিত্বে এবং সচিব হাফিজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দীনের পরিচালনায় নগরীর বন্দরবাজারস্থ কুদরত উল্লাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দি সিলেট ইসলামিক সোসাইটির চেয়ারম্যান শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ফজলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান।
সম্মেলনে আদর্শ হিফজুল কুরআন প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভুমিকা শীর্ষক আলোচনা পেশ করেন বাংলাদেশস্থ সৌদি দূতাবাসের দাঈ এবং কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব শায়খ সাঈদ বিন নুরুজ্জামান আল মাদানী।
সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, তাহফীজুল কুরআন শিক্ষাবোর্ড সিলেটের সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান, দি সিলেট ইসলামিক সোসাইটির সেক্রেটারী আব্দুস শাকুর, দি সিলেট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাহেদুর রহমান চৌধুরী, শাহজালাল জামেয়া স্কুল এন্ড কলেজ মিরাবাজারের সাবেক অধ্যক্ষ মজির উদ্দিন।
সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক মো. ফখরুল ইসলাম, তাহফীজুল কুরআন শিক্ষাবোর্ড সিলেটের সহকারী সেক্রেটারী ড. মাওলানা এএইচএম সোলায়মান, হাফিজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান জালালাবাদী, কোষাধ্যক্ষ হাফিজ মাওলানা আব্দুল ওয়াহিদ, অফিস সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা মুজিবুর রহমান, সহ-অফিস সেক্রেটারী হাফিজ মুস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সেক্রেটারী মাওলানা এহসান উদ্দিন, প্রকাশনা সেক্রেটারী মাওলানা খলীলুর রহমান, সহ-প্রকাশনা সেক্রেটারী হাফিজ আব্দুল হালিম, প্রচার মিডিয়া সেক্রেটারী হাফিজ আব্দুল আহাদ, দাওয়াহ সেক্রেটারী হাফিজ মো. ফখরুল ইসলাম, সদস্য মাওলানা আলী আক্কাস মোল্লা, অধ্যক্ষ মাওলানা শরীফ আহমদ, হাফিজ মাওলানা হারুনুর রশীদ, অধ্যক্ষ মাওলানা সোলাইমান হোসাইন, মাওলানা তাজুল ইসলাম, হাফিজ মাওলানা আহমদ হোসাইন, হাফিজ মাওলানা জাকির হোসাইন, হাফিজ মাওলানা আব্দুল খালিক, হাফিজ আব্দুল আজিজ, হাফিজ মাওলানা মুজিবুর রহমান ও মাওলানা খলীলুর রহমান প্রমূখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ নাসির উদ্দিন মো. লাবিব ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন হাফিজ মোজাহিদুল ইসলাম। বিজ্ঞপ্তি
