সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের উপাচার্যের দপ্তরে ভাঙচুর ও তাঁকে শারীরিক হেনস্তার অভিযোগে এবার পদক্ষেপ কর্তৃপক্ষের। ৮ আন্দোলনকারী পড়ুয়াকে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবারই প্রতিষ্ঠানের তরফে এক বিবৃতিতে কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ, দেওয়ালে আপত্তিকর গ্রাফিতি লেখা এবং উপাচার্যের ঘরে নিরাপত্তারক্ষীদের হেনস্থা করার অভিযোগ তোলা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শোকজ করা হয়েছে পড়ুয়াদের।
বৃহস্পতিবার এসআরএফটিআইয়ের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, বুধবার রাতে উপাচার্যের দপ্তরে হামলা হয়। অভিযোগ, দপ্তরের জানালা লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। এমনকী, জল ও এসির সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে দপ্তরে ভাঙা কাচ, ইটের টুকরো ও ক্ষতিগ্রস্ত আসবাবপত্র ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা বুধবার রাতের তাণ্ডবলীলায় তীব্র নিন্দা জানান। অভিযোগ, উপাচার্যকে ঘিরে স্লোগান দেন বেশ কয়েকজন পড়ুয়া। কর্তৃপক্ষের দাবি, এক পড়ুয়া উপাচার্যকে শারীরিক হেনস্থা করেন।
মাত্র ১৫ দিন আগে দায়িত্ব নেওয়া উপাচার্য সন্তোষ আজমেরা ঘটনাটিকে অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করে বলেছেন, ‘পড়ুয়াদের গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকারকে সম্মান করা যায়। কিন্তু হিংসা, ভাঙচুর এবং ব্যক্তিগত হেনস্তা বরদাস্ত হবে না।’ দোষীদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। কয়েক জন পড়ুয়ার আচরণের কারণে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পঠনপাঠন ব্যাহত হচ্ছে বলেও দাবি উপাচার্যের। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার ৮ পড়ুয়াকে শোকজ নোটিস ধরাল এসআরএফটিআই কর্তৃপক্ষ।
