এলাকার কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্ব পেতে পারে। তাঁদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যেন সাধারণ মানুষের কথা শোনেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবাপ্রাপ্তি সহজ ও জনবান্ধব করেন।
নিজের প্রার্থিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জি এম রবিউল্লাহ বাহার বলেন, “আমি পদের লোভে কিংবা সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য রাজনীতি করি না। কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের সেবা করা এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানোই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের যে ভালোবাসা আমি পাচ্ছি, তাতে আমি অভিভূত। অবহেলিত এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি কৃষ্ণনগরবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।”
স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনে প্রার্থীদের জনসম্পৃক্ততা, অতীত কর্মকাণ্ড এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা ভোটারদের সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে নির্বাচনে কে এগিয়ে থাকবেন, তা নির্ভর করবে ভোটারদের সমর্থন, নির্বাচনী পরিবেশ এবং ভোটের ফলাফলের ওপর।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, প্রার্থীদের কর্মপরিকল্পনা ও জনসম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
The post কৃষ্ণনগর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যুবদল নেতা রবিউল্লাহ বাহার appeared first on ভোরের চেতনা.
