Published on
:
1 min read
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিচারাধীন এক বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়াল। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মৃতের নাম আজহারউল লস্কর। তাঁর বাড়ি জীবনতলা থানা এলাকায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, হাসপাতালের মধ্যেই গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ওই বন্দির দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় বন্দির নিরাপত্তায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সূত্রের খবর, এক নাবালিকাকে বিয়ে করেছিলেন আজহারউল। এই ঘটনায় নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ১০ অক্টোবর তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে তাঁকে বারুইপুর সংশোধানাগারে জেল হেফাজতে রাখা হয়। সংশোধানাগারে নিয়ে যাওয়ার পরের দিন ১১ অক্টোবর শারীরিক অসুস্থতার কারণে আজহারউলকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন থাকাকালীন সোমবার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় ওই বন্দির।
এই ঘটনায় হাসপাতালের মধ্যে বন্দির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কী ভাবে হাসপাতালে পুলিশের নজরদারি এড়িয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বন্দি আত্মহত্যা করার সুযোগ পেলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওই বন্দির জন্য ঠিক মতো নজরদারির ব্যবস্থা ছিল কি না, মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, ঘটনার সময়ে আশেপাশে কেউ ছিলেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে হাসপাতালের সুপার সুপর্ণকান্তি হালদার জানিয়েছেন যে, ওই বন্দির পেটের সমস্যা ছিল। মানসিক সমস্যাও ছিল। তার জেরেই আত্মহত্যা করেছেন বলে অনুমান। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।