Published on
:
2 min read
এই সময়, নয়াদিল্লি: কোথাও অযোধ্যার রাম মন্দির৷ কোথাও এক ফালি বাংলার গ্রাম৷ কোথাও আবার মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ৷ সঙ্গে থাকছে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উদযাপন৷ দুর্গা আরাধনার থিমে কলকাতাকে টেক্কা দিতে তৈরি দিল্লি, নয়ডা ও গ্রেটার নয়ডা৷ এই বছর নজর কাড়ছে গ্রেটার কৈলাস-১-এর দুর্গাবাড়ির পুজো৷ মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এখানকার পুজোর উদ্যোক্তারা৷ মণ্ডপের সর্বত্র উত্তম কুমারকে ঘিরে থাকছে নস্টালজিয়া। মণ্ডপে পা দেওয়া মাত্রই বাঙালি খঁুজে পাবে তার চিরন্তন ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’-কে৷
একটু দূরেই অবস্থিত গ্রেটার কৈলাস-২–এর মণ্ডপে বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উদযাপন। দুর্গোত্সব জিকে-২–র পুজো কমিটির ৩৫তম বর্ষে থিম দেশাত্মবোধ। এমনটাই জানিয়েছেন পুজো কমিটির সভাপতি সম্রাট বন্দ্যোপাধ্যায়৷
দিল্লির মিনি কলকাতা হিসেবে পরিচিত চিত্তরঞ্জন পার্কের বি ব্লকে তৈরি হচ্ছে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির আদলে পুজো মণ্ডপ৷ এখানকারই পকেট-৪০-এর দুর্গাপুজোর থিম বাংলার ট্রেড মার্ক জামদানি শাড়ি৷ গোটা মণ্ডপ সাজানো হচ্ছে জামদানি শাড়ির বিভিন্ন অংশ দিয়ে৷ চিত্তরঞ্জন পার্কের কো–অপারেটিভ পুজো সমিতিতে দেখা যাবে বাঁশ এবং পাটের মেলবন্ধন।
সি আর পার্ক থেকে কিছুটা দূরেই বাঙালি অধ্যুষিত করোলবাগ৷ এখানকার পুজোর থিম অযোধ্যার রাম মন্দির৷ করোলবাগ পুজো সমিতির সাধারণ সম্পাদক দীপক ভৌমিকের কথায়, ‘অনেকেরই এখনও সুযোগ হয়নি অযোধ্যায় গিয়ে রাম মন্দির দর্শন করার৷ তাঁদের কথা ভেবেই আমাদের এই উদ্যোগ।’
দিল্লির সীমানা পার করে নয়ডায় ঢুকলে চোখে পড়বে সেক্টর ৬১-তে অবস্থিত বলাকা-র পুজো৷ এখানে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আদলে মণ্ডপ তৈরি হয়েছে৷
নয়ডা কালীবাড়ির দুর্গাপুজো এবার ৪৪তম বর্ষে পা দিচ্ছে৷ এখানকার পুজোতে মন কাড়বে ভক্তি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি৷ এক ফালি বাংলার আদলে তৈরি পুজো মণ্ডপের সর্বত্রই থাকবে নিখাদ বাঙালিয়ানা৷
গ্রামবাংলাকে থিম হিসেবে বেছেছে বৈশালীর সর্বজনীন শ্রী শ্রী কালিপুজো সমিতি৷ বৈশালীর সেক্টর-৩-র রচনা পার্কে আয়োজিত এই দুর্গাপুজোর থিম ‘সবার জন্য উত্সব’।
