চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমদাদুল হক (১৭) নামের এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নাইস (২০) খন্দকারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌরসভার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত এমদাদুল হক উপজেলার নওদাবন্ডবিল গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে। অভিযুক্ত নাইস খন্দকার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মজনু খন্দকারের ছেলে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, রাতে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন এমদাদুল। এ সময় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নাইসের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাইস তাঁকে মারতে গেলে এমদাদুল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিছু দূর যাওয়ার পর তিনি পড়ে গেলে হাতের কাছে থাকা লাঠি দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করেন নাইস। এতে এমদাদুল গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ওসি রাকিবুল ইসলাম আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নাইস খন্দকারকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
