চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়তে তিন ঘণ্টা দেরি হওয়ায় উত্তেজিত যাত্রীরা স্টেশনে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ যাত্রীরা স্টেশন মাস্টারকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম স্টেশনে এদিন সকালে আরো কয়েকটি ট্রেন পৌঁছাতে এবং ছেড়ে যেতে বিলম্ব হয়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, সিলেটগামী ৭১৯ নম্বর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৭টা ৫০ মিনিট চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রেনটির ইঞ্জিন যুক্ত হয় দেরিতে। পাহাড়তলী লোকোশেড থেকে ইঞ্জিন দেরিতে প্লাটফর্মে আসায় ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হয়। এতে নির্ধারিত সময়ে চট্টগ্রাম স্টেশন ত্যাগ করতে পারেনি পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। এ সময় যাত্রীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ। পরে প্রায় তিন ঘণ্টা দেরিতে ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে যায়। ট্রেনের জন্য অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এক পর্যায়ে যাত্রীরা স্টেশন মাস্টারকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে রেলওয়ের কর্মীরা যাত্রীদের বুঝিয়ে শান্ত করলে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হন তিনি।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সিগন্যালিংয়ের সমস্যার কারণে সকালের কয়েকটি ট্রেন দেরিতে এসেছে। স্টেশনে দেরিতে আসার কারণে স্টেশন ছেড়েছে দেরিতে। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তবে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে গেছে। ট্রেন ছাড়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
তিনি বলেন, ট্রেন লেট থাকায় কানেকটিং যাত্রীদের যারা চট্টগ্রাম স্টেশনে নেমে অন্য ট্রেন ধরে গন্তব্যে যাবেন তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাই ক্ষোভ জানানোটা স্বাভাবিক। পাহাড়িকা দেরি করেই এসেছে। সেখানে আমাদের কোনো দোষ নেই।
বিক্ষুব্ধ যাত্রীরা স্টেশনের কয়েকটি কক্ষ ভাঙচুর করেছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও স্টেশন ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক তা অস্বীকার করেন। তার দাবি, ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

