দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন (৫৫) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে একসঙ্গে তাদের জানাজা হয়। এর আগে বুধবার মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫) ও তার ছেলের মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া সৈয়দা মাজেদা খাতুন ফুলবাড়ী উপজেলার গোলাম মোস্তফা (জিএম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ক্রীড়া শিক্ষক ও বারোকোনা গ্রামের সৈয়দ আবুল মাহমুদ চাঁদের স্ত্রী। তার ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বারোকোনা গ্রামে নিজ বাড়িতে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। মায়ের মৃত্যুর পর শোকে কাতর হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পরে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন ও ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাদের পাশাপাশি দাফন করা হয়।
সৈয়দা মাজেদা খাতুনের ভাতিজা সমাজসেবক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, কিছু সময়ের ব্যবধানে পরিবারের দুজনের মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সুমন তার মাকে খুবই ভালোবাসতো। তার মায়ের মৃত্যুটা সে সহ্য করতে না পারার জন্য সেও আমাদের ছেড়ে চলে গেল। তাদের জন্য গোটা গ্রামের মানুষ শোকে মুহ্যমান হয়ে গেছেন।
