চ্যাম্পিয়নস লীগে দাপুটে জয় তুলে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতিটা দারুণভাবে সেরে রাখলো রিয়াল মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ইউরোপ সেরার মঞ্চে শতভাগ জয়ের ধারা বজায় রাখলো লস ব্লাঙ্কোসরা। এই জয়ে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় টানা তৃতীয় জয় তুলে নিল দলটি। ম্যাচের প্রথমার্ধে লাইপজিগ বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও রিয়ালের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া দারুণ কিছু সেভ করে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন। প্রথমার্ধ শেষের ঠিক দুই মিনিট আগে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় রিয়াল। আরদা গুলেরের শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করলে গোলকিপার মার্টেন ভানদেভোর্ডের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল গড়ায়। সে সুযোগে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে রিয়ালের হয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন বার্নার্দো সিলভা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণ শানায় রিয়াল। ৫২তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের হেড থেকে আসা বলে সহজ টোকায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তরুণ তুর্কি আরদা গুলের। এরপর বেশ কয়েকবার গোলের কাছে গিয়েও ব্যর্থ হন এমবাপে, যার একটি শট সাইডনেটে লাগে। তবে ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে আর হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়নি ফরাসি তারকাকে। বক্সের বাইরে থেকে চমৎকার এক বাঁকানো শটে গোল করে চলতি মৌসুমে ১২ ম্যাচে নিজের দ্বাদশ গোলটি পূর্ণ করেন তিনি। ম্যাচের শেষ দিকে গোলের দেখা পায় সফরকারীরাও।
৮৫তম মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে লাইপজিগের পক্ষে ব্যবধান কমান তিদিয়াম গোমিস। তবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়নি রিয়াল। এর মাত্র দুই মিনিট পরেই গ্রীষ্মকালীন দলবদলে লাইপজিগ ছেড়ে রিয়ালে যোগ দেওয়া বদলি খেলোয়াড় ইয়ান দিয়োমান্দে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগে তিন ম্যাচের সব কটিতে জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে অবস্থান করছে রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে তিন ম্যাচে এক জয় ও দুই হারে তিন পয়েন্ট নিয়ে ৩০ নম্বরে রয়েছে লাইপজিগ।
ইউরোপের পাট চুকিয়ে এবার মৌসুমের প্রথম হাইভোল্টেজ এল ক্লাসিকোর মঞ্চ প্রস্তুত। আগামী রোববার রাতে লা লীগায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ। এরপর আগামী ৪ঠা নভেম্বর চ্যাম্পিয়নস লিগে গ্রিসের ক্লাব এইকে এথেন্সের বিপক্ষে খেলতে নামবে রিয়াল। একই দিনে ম্যানচেস্টার সিটির আতিথ্য নেবে লাইপজিগ।
