ফানুসের আলোয় রঙিন চট্টগ্রামের আকাশ
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম
প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ফানুস ওড়াচ্ছেন ভক্তরা। নগরীর নন্দনকানন বৌদ্ধবিহার থেকে তোলা। ছবি: মোহাম্মদ হানিফ।
-->বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ফানুসের আলোয় রঙিন হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের রাতের আকাশ। ফানুসের বিচিত্র রঙে ও আলোয় নগরজুড়ে এক মোহনীয় ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর শতবর্ষী নন্দনকানন বৌদ্ধবিহারে গিয়ে দেখা যায়, ফানুস ওড়ানোর এই আনন্দঘন মুহূর্তকে কেন্দ্র করে বিকেল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।
সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার এই আয়োজনটি একপর্যায়ে পরিণত হয় এক আনন্দময় মিলনমেলায়। পরবর্তীতে নৈশ আকাশে ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে উৎসবের আমেজ ও আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।
আরও পড়ুন
এর আগে রবিবার সকাল থেকেই নগরীর বৌদ্ধবিহারগুলোতে ছিল পুণ্যার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে নতুন পোশাক পরিধান করে কেউ বুদ্ধমূর্তির সামনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, আবার কেউবা প্রদীপ জ্বালিয়ে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন। সকালে বুদ্ধমূর্তি ও বোধিবৃক্ষের সামনে পুষ্প নিবেদন এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে পুণ্যার্থীরা ভিক্ষুদের কাছ থেকে পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ করেন। দিনভর বিভিন্ন বিহারে চলে ধর্মীয় দেশনা ও সমবেত প্রার্থনা।
উৎসবের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নন্দনকানন বৌদ্ধবিহারে আসা দেবাশীষ বড়ুয়া বলেন, ‘প্রবারণা পূর্ণিমার ফানুস উৎসব দেখতে খুব ভালো লাগে। ছোটবেলা থেকেই এটি দেখে আসছি। সারাবছর এই বিশেষ দিনটির জন্য প্রবল আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করি। রাতের আকাশে যখন একসঙ্গে অনেক ফানুস ওড়ে, তখন দেখতে এক অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে।’
আরও পড়ুন
তৃপ্তি বড়ুয়া নামের আরেক ভক্ত বলেন, ‘প্রতিবছরই এই দিনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিহারে আসি। পৃথিবী থেকে সব হিংসা-বিদ্বেষ দূর হোক এবং সবার জীবন শান্তিময় হয়ে উঠুক-এই প্রার্থনাই করি।’
নন্দনকানন ছাড়াও নগরীর ঐতিহাসিক কাতালগঞ্জ নবপণ্ডিত বিহার, পাথরঘাটা জেতবন শান্তিকুঞ্জ বিহার, চান্দগাঁও সার্বজনীন বৌদ্ধবিহার ও মোগলটুলী শাক্যমুণি বৌদ্ধবিহারে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে প্রবারণা উৎসব।
এদিকে প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল কবির জানান, প্রবারণা পূর্ণিমা ও ফানুস উৎসবে প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে। তাই সার্বিক নিরাপত্তা ও নজরদারিতে কোনো কমতি রাখা হয়নি। উৎসব ঘিরে সাদা পোশাকের পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।
এএফ/
আরও পড়ুন
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহনশীলতার বন্ধন সুদৃঢ় করতে হবে: সিলেটের ডিসি
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি: খবরের কাগজ
-->ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করে আসছেন। সবাইকে পারস্পরিক ভালোবাসা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) নগরীর আখালিয়া নয়াবাজারস্থ ব্রাহ্মণশাসনস্থ সিলেট বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে আলোচনা সভা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ফানুস উত্তোলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, গত কয়েকদিন আগে সিলেটসহ সারা বাংলাদেশে দূর্গাপূজা অত্যন্ত সুন্দরভাবে উদযাপিত হয়েছে। বাংলাদেশ ঐতিহ্যভাবে সব ধর্মের সহ অবস্থান। এখানে সব ধর্মের সহবস্থান করছে এটাই বালাদেশের ঐতিহ্য। এক্ষেত্রে সিলেট এগিয়ে আছে।
আরও পড়ুন
তিনি বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করে। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার পাশাপাশি সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি সুন্দর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সিলেট বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ শ্রীমৎ দিপষ্কর ভিক্ষু এর সভাপতিত্বে ও চন্দ্রিকা বড়ুয়া মন্টি এর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট বৌদ্ধ সমিতির এডহক কমিটির আহ্বায়ক সুকান্তি বড়ুয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সিলেট বৌদ্ধ সমিতির এডহক কমিটির সদস্য সচিব সুজন বড়ুয়া।
আরও পড়ুন
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সিলেট বৌদ্ধ সমিতির সাবেক সভাপতি চন্দ্র শেখর বড়ুয়া, আখালিয়া নয়া বাজার কমিটির সভাপতি দেলওয়ার হোসেন জয়, মুসলিম নগর মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল করিম, বৌদ্ধ সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উৎপল বড়ুয়া, তপন কান্তি বড়ুয়া। সিলেট বৌদ্ধ সমিতির এডহক কমিটির সদস্য পলাশ বড়ুয়া প্রমুখ।
দিনব্যাপি প্রার্থনা, মোমবাতি প্রজ্জলন ও ফানুস উত্তোলনসহ নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় ফানুস উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপনী হয়। সকালের অধিবেশনে এডহক কমিটির সদস্য প্রধান বাবু ইমন বড়ুয়া এর উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন লিটন বড়ুয়া,পলাশ বড়ুয়, সেবু বড়ুয়া, সুজন বড়ুয়া ও রায়ধন বড়ুয়া প্রমুখ।
রিফাত/
আরও পড়ুন
চাঁদপুরের মেঘনায় মা ইলিশ শিকার, ৩৩ জেলে আটক
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় মা ইলিশ শিকার করার সময় পৃথক অভিযানে ৩৩ জন জেলেকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। এ সময় মাছ ধরার নৌকা, বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল ও ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চাঁদপুর নৌ পুলিশ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজমগীর হোসেন ও মোহনপুর ফাঁড়ি পুলিশ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে মোহনপুর নৌ পুলিশ মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী, মশারি ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় ৮ জেলেকে আটক করে। এ সময় ৩২০ মিটার চায়না দুয়ারী, ৮০ মিটার মশারি জাল এবং ৪০০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন
মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক রুহুল আমিন জানান, আটক জেলেদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে নিয়মিত পৃথক আটটি মামলা করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে আরও ২৫ জেলেকে আটক করে চাঁদপুর সদর নৌ পুলিশ। এ সময় ৫টি মাছ ধরার নৌকা, ১৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ৮০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন
চাঁদপুর সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজমগীর হোসেন জানান, আটক ২৫ জনের মধ্যে ১১ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৪ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
এছাড়া জব্দ করা নৌকাগুলো থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং উদ্ধার করা ইলিশ মাছ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় নৌ পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ফয়েজ/এএফ
আরও পড়ুন
গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে হামলা: ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৭
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ১০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফুলমিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার সদর উপজেলার বেদগ্রাম খেয়াঘাট এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালান। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ সময় পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় সদর থানার এসআই ফুলমিয়া বাদী হয়ে ১০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন
প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেলে নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
বাদল সাহা/রিফাত/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
রাস্তার জমি নিয়ে বিরোধ, পিটুনিতে প্রাণ গেল প্রাথমিক শিক্ষকের
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
পার্বতীপুরে জমি বিরোধে শিক্ষকের মৃত্যু। ছবি: সংগৃহীত
-->দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রাস্তার জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মনোরঞ্জন রায় মনো (৫৫) নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আসাদুজ্জামান (৩২) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের নয়া মোল্লাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনোরঞ্জন রায় চিরিরবন্দর উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের চক শুকদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তার বাড়ি চিরিরবন্দর উপজেলার সোনাপুকুর মাঝিপাড়া এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নয়া মোল্লাপাড়া গ্রামের একটি বসতবাড়ির পাশের রাস্তার জমি নিয়ে প্রতিবেশী আসাদুজ্জামান ও তার লোকজনের সঙ্গে স্থানীয়দের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রবিবার দুপুরে ওই জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে সেখানে উপস্থিত হন শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়।
আরও পড়ুন
এ সময় আসাদুজ্জামান ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন শিক্ষকের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা সজনে গাছের ডাল ও লাঠি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি পাশের একটি ধানখেতে লুটিয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর স্থানীয় এক বাসিন্দা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পরে পার্বতীপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত আসাদুজ্জামানকে আটক করে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
আরও পড়ুন
দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাস্তার জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার পর এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিলেও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সুলতান মাহমুদ/এসএন
