পর্তুগাল তারকা ভিতিনিয়ার আশা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে জাতীয় দলের কোচ জর্জে জেসুসের বিভেদের সমাধান হয়ে যাবে এবং তারকা ফরোয়ার্ড স্বাভাবিকভাবে দলে ফিরবেন। এর আগে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক বিরতিতে জেসুসের অধীনে পর্যাপ্ত গেমটাইম না পাওয়ায় ক্যাম্প ছেড়ে যান সিআরসেভেন।
পরে অবশ্য সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়েছিলেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা। একইসঙ্গে কোচ জেসুস নিজের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন বলেও দাবি রোনালদোর। এই পরিস্থিতিতে স্বস্তিতে নেই তার জাতীয় দল সতীর্থ ও পিএসজি তারকা ভিতিনিয়া। তিনি শিগগিরই রোনালদোর জাতীয় দলে ফেরা এবং সৃষ্ট সমস্যার সমাধান চেয়েছেন।
আরও পড়ুন
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির মাঠ ইতিহাসে খেলতে গিয়েছিল পিএসজি। যেখানে সফরকারীরা দাপুটে পারফরম্যান্সে ৪-২ গোলে জিতেছে। এরপর পিএসজির পর্তুগিজ তারকা ভিতিনিয়া আন্তর্জাতিক বিরতিতে ঘটে যাওয়া স্মৃতি মনে করে বলেন, ‘এটি ছিল একটি উত্তাল আন্তর্জাতিক বিরতি। আমার দিক থেকে বললে আমি শুধু আশা করি যেন সবচেয়ে ভালো উপায়ে সব সমাধান হয়ে যায়। আমি আশা করি সে (রোনালদো) ফিরে আসবে এবং সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে।’
পর্তুগাল জাতীয় দলের অন্য সতীর্থরাও এমনটাই প্রত্যাশা করে দাবি এই মিডফিল্ডারের, ‘সত্যি বলতে, আমরা সবাই এটাই চাই। আমি আশা করি সে ফিরে আসবে এবং সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

এর আগে রোনালদো তার বিবৃতিতে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের (এফপিএফ) দেওয়া শাস্তি মেনে নেওয়ারও কথা বলেছিলেন। এরপর তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এফপিএফ–এর ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিল। আল নাসরের অধিনায়ককে অস্বয়ংক্রিয় ভিত্তিতে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং মামলাটিকে ‘জরুরি’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। তদন্ত শেষ হওয়া ও চূড়ান্ত শাস্তির অপেক্ষায় এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা। শাস্তির মাত্রা অবশ্য গোপন রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা পর্তুগাল জাতীয় দলের জার্সিতে ২৩৪ ম্যাচ খেলে ১৪৬ গোল করেছেন। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক বিরতিতে তিনি প্রথম ম্যাচ খেলে উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেননি। এর পরের ম্যাচে তাকে বদলি হিসেবেও মাঠে নামাননি কোচ জেসুস। এরপর তৃতীয় ম্যাচেও তাকে খেলানোর সম্ভাবনা কম জেনে ক্যাম্প ছেড়ে যান রোনালদো। অন্যদিকে, ফিফা উইন্ডোর চারটি ম্যাচই খেলেছেন ভিতিনিয়া। নভেম্বরে নেশন্স লিগের গ্রুপপর্বে দলটির আরও দুটি ম্যাচ রয়েছে।
এএইচএস
