এমবাপ্পের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ইয়ামাল
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বয়স মাত্র ১৮। অথচ ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব প্রতিযোগিতায় একের পর এক রেকর্ড গড়ছেন লামিনে ইয়ামাল। এবার ছুঁয়ে ফেললেন কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কিশোর খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে যৌথভাবে শীর্ষে উঠেছেন বার্সেলোনার এই স্প্যানিশ উইঙ্গার।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) বিপক্ষে গোল করে এই কীর্তি গড়েন ইয়ামাল। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ফাঁক গলে বল পেয়ে যান তিনি। এরপর পিএসজির গোলরক্ষক মাতভে সাফোনভকে পরাস্ত করে জালে বল পাঠান। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি তার ১৩তম গোল।
এই গোলেই এমবাপ্পের পাশে জায়গা করে নেন ইয়ামাল। তবে দুজনের অর্জনের পথে রয়েছে ম্যাচসংখ্যার বড় পার্থক্য। চ্যাম্পিয়নস লিগে ৩৫ ম্যাচে এসে ১৩ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ইয়ামাল। অন্যদিকে, মাত্র ২৩ ম্যাচেই এই গোলসংখ্যায় পৌঁছেছিলেন এমবাপ্পে।
তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজীয় তারকা আর্লিং হালান্ড। কিশোর বয়সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার গোলসংখ্যা ১০। এরপর সাত গোল নিয়ে আছেন সাবেক ডাচ তারকা প্যাট্রিক ক্লুইভার্ট।
এই তালিকায় ছয় গোল করে যৌথভাবে রয়েছেন রাউল, জুড বেলিংহাম ও করিম বেনজেমা। পাঁচ গোল নিয়ে তাদের পরেই আইয়েগবেনি ইয়াকুবু।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
বাভুমার ১৭৯ রানে চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->১১০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে তখন চাপে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকে দলকে টেনে তুললেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। খেললেন ক্যারিয়ারসেরা ১৭৯ রানের ইনিংস। তার অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়াল স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এখন সুবিধাজনক অবস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সেন্ট জর্জেস পার্কে ম্যাচের তৃতীয় দিনে দারুণ লড়াই করে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাভুমার সঙ্গে বড় দুটি জুটি গড়েন মার্কো ইয়ানসেন ও সাইমন হারমার। তাদের ব্যাটে ভর করে ৯ উইকেটে ৪২৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিক দল।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের চতুর্থ বলেই কাগিসো রাবাদার শিকার হন নিক ম্যাডিনসন। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন এই অজি ওপেনার। দিন শেষে তাই চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকাই।
দিনের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৯৭ রান। পরে মিচেল স্টার্কের বাউন্সারে আউট হন উইয়ান মুল্ডার। আরও চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে বাভুমার সঙ্গে জুটি গড়তে ক্রিজে আসেন মার্কো ইয়ানসেন। বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৫ রান করেন ইয়ানসেন। বাভুমার সঙ্গে তার জুটিতে আসে ১৩২ রান। দ্বিতীয় নতুন বল নিয়ে এই জুটি ভাঙে অস্ট্রেলিয়া। তবে তাতে থামেনি দক্ষিণ আফ্রিকার রান উৎসব।
এরপর বাভুমার সঙ্গে যোগ দেন সাইমন হারমার। প্যাট কামিন্সকে পুল শটে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অধিনায়ক। দুই ব্যাটারের দৃঢ়তায় আরও বড় হয় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ।
হারমার খেলেন ক্যারিয়ারসেরা ৮২ রানের ইনিংস। তার সঙ্গে বাভুমার ১৮৩ রানের জুটি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার অবস্থান আরও শক্ত করে। বাভুমাও তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।
দলীয় রান ৪০০ পেরোনোর পর দ্রুত দুই উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আউট হন দুই সেট ব্যাটারই। এরপর ১২৭.১ ওভারে ৯ উইকেটে ৪২৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেন বাভুমারা।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
পিছিয়ে পড়েও ভিয়ারিয়ালকে হারাল লিভারপুল
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও হার মানেনি লিভারপুল। ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে দারুণ প্রত্যাবর্তনে ভিয়ারিয়ালকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে অলরেডরা। শুরুতে ধাক্কা খেলেও পরে আক্রমণাত্মক ফুটবলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত জয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে লিভারপুল।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ম্যাচের শুরুতেই বিপাকে পড়ে লিভারপুল। চতুর্থ মিনিটে রক্ষণভাগের ভুলে এগিয়ে যায় ভিয়ারিয়াল। গোল করেন জর্জেস মিকাউতাডজে। ২৯ মিনিটে সের্জি কার্দোনার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্প্যানিশ দলটি।
তবে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই চালিয়ে যায় লিভারপুল। ৩৬ মিনিটে আর্জেনটাইন মিড ফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের গোলে ব্যবধান কমে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে রোনাল্ড আরাউহোর গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। ফলে ২-২ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে লিভারপুল। ৬৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ম্যাক আলিস্টার। তিন মিনিট পর কোডি গাকপোর পাস থেকে গোল করেন ফ্লোরিয়ান ওয়ার্টজ। তাতে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
শেষ দিকে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ভিয়ারিয়াল। ৮৭ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন তানি ওলুওয়াসেই। এতে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বাড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল।
লিভারপুল গোলমুখে ২২টি শট নেয়, যার ৮টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে ভিয়ারিয়ালের ১২টি শটের ৫টি লক্ষ্যে ছিল। বল দখলেও এগিয়ে ছিল লিভারপুল। তাদের দখলে ছিল ৫৪ শতাংশ বল, ভিয়ারিয়ালের ৪৬ শতাংশ।
এই জয়ে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার লিগ পর্বে নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচের সবকটিতে জয় নিয়ে শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করল অলরেডরা।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
ফোডেনের হ্যাটট্রিকে ম্যানচেস্টার সিটির বড় জয়
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। গ্রিক ক্লাব এএইকে এথেন্সকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে ইংলিশ ক্লাবটি। দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে জয়ের নায়ক বনে যান ফিল ফোডেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে সিটি। ৫৯ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ১২ মিনিটেই গোলের দেখা পায় তারা। ফিরতি বলে জালে বল পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফিল ফোডেন। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সিটি।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে এথেন্স। ৫১ মিনিটে গোল করে ব্যবধান কমান স্টাভরোস পিলিওস। তবে তাদের সেই আশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৫৬ মিনিটে গোল করে সিটির লিড বাড়ান রায়ান চেরকি।
এরপরই শুরু হয় 'ফোডেন শো'। ৬৫ মিনিটে রিকো লুইসের চমৎকার পাস ধরে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান ফোডেন। এথেন্সের রক্ষণ তখন দিশেহারা। ৭৬ মিনিটে আবারও জালের দেখা পান ফোডেন। পূর্ণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক। সেই সঙ্গে সিটির ৫-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয়।
দলের প্রধান স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডকে বিশ্রামে থাকলেও তার অভাব বুঝতে দেয়নি এনজো মারেস্কার শিষ্যরা। ম্যাচে ম্যানসিটি গোল মুখে ১৪টি শট নিলেও এথেন্স নিয়েছে ১১টি। এর ম্যানসিটির 6টি শট লক্ষ্যে থাকলেও এইকের ছিলো ৩টি।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
বার্সেলোনার জালে এক হালি গোল পিএসজির
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম
আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ আর একের পর এক গোল। শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করল প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি)। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লড়াইয়ে স্প্যানিশ পরাশক্তি বার্সেলোনাকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ফরাসি ক্লাবটি। পার্ক দে প্রিন্সেসে এই জয়ে বার্সেলোনার অপরাজিত যাত্রায় ছেদ টানল লুইস এনরিকের দল।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল পিএসজি। বল দখলে পিছিয়ে (৪৬%) থেকেও একের পর এক আক্রমণে বার্সেলোনার রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে স্বাগতিকরা। ৩৮ মিনিটে জোয়াও নেভেসের পাস থেকে গোল করেন দেজিরে দুয়ে। তার গোলে ১-০ গোলে লিড নেয় পিএসজি।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বার্সেলোনা। ৫৫ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান জাভি এসপার্ট। এরপর ম্যাচে বাড়তে থাকে উত্তেজনা। দুই দলই আক্রমণে ধার বাড়ায়।
৭২ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে গোল করেন লুকাস হার্নান্দেজ। আবারও এগিয়ে যায় (২-১) পিএসজি। তবে লিড ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭৯ মিনিটে দুর্দান্ত গোল করে বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান লামিনে ইয়ামাল। স্কোরলাইন দাড়ায় ২-২।
এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি। ৮০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভিতিনহা। বার্সেলোনার রক্ষণ ভেঙে তার এই গোল ম্যাচে বড় ব্যবধান গড়ে দেয়। শেষ দিকে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেও সফল হয়নি কাতালান ক্লাবটি।
৮৬ মিনিটে গোল করে পিএসজির জয় নিশ্চিত করেন ফাবিয়ান রুইজ। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।
ম্যাচের পুরো সময়জুড়ে দুই দলই সমান ২০টি করে শট নিলেও পিএসজি ১৪টি শট লক্ষ্যে থাকলেও বার্সার ছিলো ৯টি।
পাপ্পু/
