সংবাদ · দেশ
বাংলাদেশ থেকে দেখা যেতে পারে ওরিওনিড উল্কাপাত
২২/১০/২০২৬

অক্টোবরের রাতের আকাশে মহাজাগতিক দৃশ্য
দেখার সুযোগ
তৈরি হয়েছে। হ্যালির ধূমকেতুর রেখে যাওয়া
ধূলিকণা ও
অবশিষ্টাংশের মধ্য দিয়ে পৃথিবী অতিক্রম
করার সময়
সৃষ্টি হয়
ওরিওনিড উল্কাবৃষ্টি। বাংলাদেশের আকাশ থেকেও এই
উল্কাপাত দেখার
সম্ভাবনা রয়েছে। ২১ ও ২২ অক্টোবর
এর সর্বোচ্চ
সক্রিয়তার সময় হিসেবে উল্লেখ করা
হয়েছে।ঘণ্টায় দেখা যেতে পারে ২০টি উল্কাওরিওনিড উল্কাবৃষ্টি হ্যালির ধূমকেতুর অবশিষ্টাংশ
থেকে তৈরি
হয়। পৃথিবী
যখন এসব
কণার মধ্য
দিয়ে অতিক্রম
করে, তখন
সেগুলো বায়ুমণ্ডলে
প্রবেশ করে
উজ্জ্বল আলোর
রেখা তৈরি
করে। রাতের
আকাশে তারার
মতো খসে
পড়া এই
আলোকরেখাকেই সাধারণভাবে ‘শুটিং স্টার’ বলা
হয়।আদর্শ ও
অন্ধকার আকাশে
ঘণ্টায় প্রায়
১০ থেকে
২০টি উল্কা
দেখা যেতে
পারে। ওরিয়ন
নক্ষত্রমণ্ডলের দিক থেকে উল্কাগুলো ছড়িয়ে
পড়ছে বলে
এ উল্কাবৃষ্টির
নাম রাখা
হয়েছে ওরিওনিড।কখন দেখবেন উল্কাবৃষ্টি?উল্কাবৃষ্টি দেখার জন্য ২১ অক্টোবর
মধ্যরাত থেকে
২২ অক্টোবর
ভোরের আগপর্যন্ত
সময়কে উপযুক্ত
হিসেবে উল্লেখ
করা হয়েছে।
তবে চাঁদের
উজ্জ্বল আলো
ফিকে উল্কা
দেখার ক্ষেত্রে
বাধা সৃষ্টি
করতে পারে।
এ কারণে
ভোরের ঠিক
আগের কয়েক
ঘণ্টা, যখন
চাঁদের আলো
কম থাকবে,
উল্কাবৃষ্টি দেখার জন্য তুলনামূলক ভালো
সুযোগ তৈরি
হতে পারে।হ্যালির
ধূমকেতুর
সঙ্গে ওরিওনিডের সম্পর্কহ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে
একবার সূর্যকে
প্রদক্ষিণ করে। ২০৬১ সালে এটি
আবার পৃথিবী
থেকে দেখা
যাবে বলে
উল্লেখ করা
হয়েছে। এই
ধূমকেতুর ফেলে
যাওয়া কণা
থেকেই ওরিওনিড
উল্কাবৃষ্টির সৃষ্টি। বছরের আরেকটি উল্কাবৃষ্টি,
ইটা অ্যাকুয়ার্ডস,
একই ধূমকেতুর
অবশিষ্টাংশের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সেটি
মে মাসে
দেখা যায়।যেভাবে দেখবেন উল্কাপাতওরিওনিড উল্কাবৃষ্টি দেখার জন্য দূরবিন
বা বিশেষ
কোনো যন্ত্রের
প্রয়োজন নেই।
তবে কয়েকটি
বিষয় খেয়াল
রাখা জরুরি:·
শহরের উজ্জ্বল আলো
থেকে দূরে
খোলা ও
নিরিবিলি জায়গা
বেছে নিন।·
আকাশ পরিষ্কার আছে
কি না,
তা দেখে
নিন।·
চোখকে অন্ধকারের সঙ্গে
মানিয়ে নিতে
২০ থেকে
৩০ মিনিট
সময় দিন।·
আকাশের বিস্তৃত অংশে
নজর রাখুন;
উল্কা দেখার
জন্য শুধু
একটি নির্দিষ্ট
বিন্দুর দিকে
তাকিয়ে থাকার
প্রয়োজন নেই।বায়ুমণ্ডলে প্রবেশেই
তৈরি হয় আলোর ঝলকহ্যালির ধূমকেতুর ক্ষুদ্র কণাগুলো ঘণ্টায়
প্রায় ১
লাখ ৪৭
হাজার ৬০০
মাইল বেগে
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে
প্রবেশ করে।
বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এগুলো
উত্তপ্ত হয়ে
বাষ্পীভূত হয় এবং আকাশে উজ্জ্বল
আলোর রেখা
তৈরি করে।
এই দৃশ্যই
ওরিওনিড উল্কাবৃষ্টিকে
রাতের আকাশের
অন্যতম আকর্ষণীয়
মহাজাগতিক ঘটনায় পরিণত করেছে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗