শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ঝাড়ফুঁক ও কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ হোসাইন আহম্মেদ (৫৫) নামের এক মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে শরীয়তপুর পৌরসভা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলায় আজ মঙ্গলবার তাকে আদালতের পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর পেটব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। মেয়ের চিকিৎসার জন্য তার মা হোসাইন আহম্মেদের কাছে যান। সেখানে কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে কিশোরীর মাকে তেল ও পানি আনতে বাড়িতে পাঠান তিনি। এ সুযোগে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে কিশোরীর মা ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখান থেকে পালিয়ে যান।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে হোসাইন আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
