Published : 14 Oct 2026, 09:48 PM
Updated : 14 Oct 2026, 10:02 PM
ইনিংসের শেষ দুই বল বাকি থাকতে যখন স্ট্রাইক পেলেন শেই হোপ, তার নামের পাশে রান ৯০। পঞ্চম ডেলিভারিতে ছক্কায় উড়িয়ে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা উজ্জ্বল করলেন তিনি। শেষ বলে আবারও উড়িয়ে মারলেন। লং অন থেকে বাঁদিকে দৌড়ে বল নাগালেই পেলেন তিলাক ভার্মা, কিন্তু মুঠোয় জমাতে পারলেন না। উল্টো হলো ছক্কা। ভারত সফরে আরেকটি শতক উপহার দিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক।
হায়দরাবাদে বুধবার সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ইনিংস শুরু করতে নেমে শেষ বল পর্যন্ত খেলেন হোপ। ৫০ বলে ১০২ রান করেন তিনি। দুইশ ছাড়ানো স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটি সাজানো নয়টি ছক্কা ও চারটি চারে।
হোপের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৩ উইকেটে ২৪৭ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি হোপের তৃতীয় সেঞ্চুরি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এই সংস্করণে যা সর্বোচ্চ। জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি করে সেঞ্চুরি আছে ক্রিস গেইল ও এভিন লুইসের। একটি করে সেঞ্চুরি করেছেন জনসন চার্লস ও রভম্যান পাওয়েল।
ভারত সফরে হেসেই চলেছে হোপের ব্যাট। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে দুটি সেঞ্চুরি করেন তিনি। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে চার ম্যাচের মধ্যে তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেয়ে গেলেন দুইবার। দ্বিতীয় ম্যাচেও ঠিক ১০২ রানে অপরাজিত ছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে একাধিক সেঞ্চুরি করা পঞ্চম ক্রিকেটার হোপ। এক সিরিজের দুটির বেশি সেঞ্চুরি করতে পারেননি কেউ। হোপের মতো এক সিরিজে দুইবার শতকের স্বাদ পেয়েছেন ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট, ভারতের সাঞ্জু স্যামসন ও তিলাক ভার্মা, স্পেনের মোহাম্মাদ ইহসান।
ইনিংসটি পথে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুই হাজার রান পূর্ণ করেন হোপ (২ হাজার ৪)। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এই মাইলফলক ছুঁতে পেরেছেন আর কেবল তিনজন- পাওয়েল (২ হাজার ৪০০), নিকোলাস পুরান (২ হাজার ২২৭৫) ও ব্র্যান্ডন কিং (২ হাজার ২৮)।
ইনিংসের প্রথম দুই ওভারে কেবল দুই বল স্ট্রাইক পান হোপ। তৃতীয় বলে মায়াঙ্ক ইয়াদাভকে ছক্কায় ওড়ান তিনি। পরে প্রিন্স ইয়াদাভকে টানা দুই বলে মারেন ছক্কা ও চার।
একাদশ ওভারে মায়াঙ্ককে ছক্কায় উড়িয়ে ফিফটি স্পর্শ করেন হোপ, ২৮ বলে। পঞ্চাশের পর আরও দ্রুত তার ব্যাট থেকে আসে রান। ফিফটি থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে তার লাগে ২২ বল।
ফিফটি পর আকসার প্যাটেল ও নিতিশ কুমার রেড্ডিকে একটি করে ছক্কা মারেন হোপ। ইনিংসের শেষ দুই বলে নিতিশকে ওই দুই ছক্কায় কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কে পৌঁছে যান তিনি।
এছাড়া তিনটি ছক্কা ও চারটি চারে অপরাজিত ৪৯ রান করেন শেরফেন রাদারফোর্ড। দুটি ছক্কা ও চারটি চারে ১২ বলে ৩৩ রান করেন শিমরন হেটমেয়ার।
