Published on
:
2 min read
বাঙালি থাকবে অথচ দুর্গাপুজো হবে না, এমনটা হয়? শুধু রাজ্যেই নয়, দেশের যে প্রান্তে বাঙালিরা থাকেন সেখানেই হয় দুর্গাপুজো। ব্যতিক্রম নয় হায়দরাবাদও। কর্মসূত্রে কলকাতা-সহ বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ হায়দরাবাদে গিয়ে থাকেন। পুজোয় সবসময়ে তাঁদের পক্ষে বাড়িতে ফিরে যাওয়া সম্ভব হয় না। কিন্তু তাই বলে উৎসব তো থেমে থাকবে না। তাই নিজেদের উদ্যোগে হায়দরাবাদের বানজ়ারা হিলসে পুজো করছেন এখানকার বাঙালিরা। তবে, শুধু বাঙালিরাই নন, এই পুজোয় স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যোগ দেন অন্যরাও।
এ বছর ৫৩ বছরে পা দিল এই পুজো। এ বছর বাংলার বনেদি বাড়ির পুজোর ঐতিহ্যকে থিমের মধ্যে ফুটিয়ে তুলতে চাইছেন উদ্যোক্তারা। তাঁরা জানিয়েছেন, পুরোনো জমিদার বাড়ির আদলে মণ্ডপসজ্জা করা হচ্ছে। পুরোনো বাড়ির দরজার খিলান, বারান্দা থাকছে মণ্ডপসজ্জার অঙ্গ হিসেবে। মণ্ডপসজ্জার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই থাকছে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা।
বনেদি বাড়ির পুজোর ঐতিহ্য, পুজোর দিনের রীতি-নিয়ম কেমন হয় তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতেই এমন থিমের ভাবনা। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে প্রতিমা। বাংলার বাইরে অনেক জায়গায় পুজোর জন্য কলকাতা থেকে অর্ডার দিয়ে প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। তবে, এই পুজোর প্রতিমা তৈরি হয়েছে হায়দরাবাদেই। চারমিনারে মেদিনীপুরের এক শিল্পী এই প্রতিমা তৈরি করেছেন।
হায়দরাবাদের বানজ়ারা হিলসের পুজোEi Samay
এই পুজো মূলত মহিলাদের দ্বারাই পরিচালিত। পুজোর থিম এবং সাজসজ্জার দায়িত্বে রয়েছেন সুজাতা পান। পুজোর কালচারাল সেক্রেটারি শর্মিলি বন্দোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে বানজ়ারা হিলসে পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে তৈরি বাসিন্দারা।
