একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের একসঙ্গে মৃত্যু ঘিরে রহস্য ঘনাচ্ছে নয়ডায়। জানা যাচ্ছে, মৃতদের মধ্যে তিনজন শিশু। গ্রেটার নয়ডার রাবুপুরা অঞ্চলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এমন ভয়ংকর ঘটনাকে ঘিরে। প্রতিবেশী এবং পরিবারের পুরুষ সদস্যটির মায়ের দাবি, ওই পাঁচজন রাতে নুডলস খেয়ে ঘুমোতে গিয়েছিলেন। তাহলে কি রাতের খাদ্যের কারণেই মৃত্যু? উঠছে প্রশ্ন।
নিহতদের মধ্যে মহেশ (৩৭) ও তাঁর স্ত্রী ললিতা (৩৫) ছাড়াও ছিল তিনটি শিশু। তাদের বয়স ১১, ৭ ও ৩। ঠিক কী কারণে মৃত্যু, তা জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসা জরুরি বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণেই প্রাণ হারিয়েছেন ওই পরিবারের পাঁচ সদস্য। খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করে দেখছে।
এদিকে বিজেপি বিধায়ক ধীরেন্দ্র সিং জানিয়েছেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়েছেন। এও বলেছেন, সবচেয়ে আগে খতিয়ে দেখতে হবে খাবারের বিষক্রিয়াতেই মৃত্যু হয়েছে কিনা। পাশাপাশি অন্য কোনওভাবে মৃত্যু হয়েছে কিনা তাও দেখা দরকার। প্রাথমিক ভাবে কাদের সন্দেহ করা যায়, তাও তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে নিহতদের প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, ওই পরিবারে সম্পত্তি নিয়ে সম্প্রতি বিবাদ হতে দেখা গিয়েছে। মহেশের মা ইতিমধ্যেই সমস্ত সম্পত্তি তাঁর মেয়েকে দিয়ে দিয়েছিলেন। মহেশকে বলে দিয়েছিলেন বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে। আর এই নিয়েই চলছি গোলমাল। উল্লেখ্য, নুডলস রান্না করেছিলেন মহেশের মা-ই। তিনি কি নিজের ছেলে-বউমা-নাতিনাতনিদের খুন করেছেন? উঠছে প্রশ্ন। দেখার, তদন্ত আরও এগলে এই দিকে নতুন প্রমাণ মেলে কিনা। অথবা আরও কারও কারও নাম উঠে আসে কিনা।
