আজকাল ওয়েবডেস্ক: চিনের প্রত্যন্ত তিব্বত অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৮ জনের। একাধিক মানুষের আহত হওয়ার খবর মিলেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ৭.০ মাত্রার এই ভূমিকম্পে ভেঙে পড়েছে একাধিক বাড়ি।
প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, কম করে ৩৩৯টি বাড়ি ভেঙে পড়ার খবর মিলেছে এখনও পর্যন্ত। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.০। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চল, নাগকু শহর থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে এবং আঞ্চলিক রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৩৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।
চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি স্থানীয় প্রশাসনের বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৪৬ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর। প্রাথমিক পরিদর্শনে ৩৩৯টি বাড়ি ভেঙে পড়ার খবর মিলেছে।
উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য ৩০০-রও বেশি পুলিশকর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে। ভূমিকম্পের তীব্রতা কতটা ছিল, তা বোঝা গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে।
কম্পন শুরু হতেই রেস্তোরাঁ থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতেও তিব্বতের গ্রামীণ এলাকা তিংরি কাউন্টিতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
তার আগে, গত বছরের আগস্টে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ১,৪০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই বন্যায় নেপালের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বহু বাড়ি ও অন্যান্য নির্মাণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
https://youtu.be/JwFdq_tA9cE?si=JA_UI9mIKHVPLyZO
এদিকে, চিনে আরও একটি ভূমিকম্পের খবর সামনে এসেছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, ভারতীয় সময় রাত ৮.২৯ মিনিটে ৫.২ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়।
এর উৎসস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের পাংগিন থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার।
