সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজন হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। একই দিনে আরামকোর একটি তেলক্ষেত্রের স্থাপনায় ড্রোন হামলার চেষ্টায় আরও দুইজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। বুধবার বিমানবন্দরটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের একজন সৌদি নাগরিক, অন্যজন ভারতীয় প্রবাসী।
এর আগে একই দিনে সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, আরামকোর শাইবাহ তেলক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় আঘাত হানার চেষ্টা করা একটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজন নিহত হন। ফলে একদিনে দেশটিতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।
হুথি বাহিনী এবং সৌদি-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে একের পর এক হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি। সংঘাত তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন অবকাঠামোয় হামলার ঘটনাও বাড়ছে।
গত সপ্তাহে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, ১১ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। এর আগে ১০ অক্টোবর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, একই বিমানবন্দরে আরেকটি হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
চলমান হুথি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরবে অবস্থিত তাদের কূটনৈতিক মিশনের কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সেখান থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য কয়েকটি মিশন থেকেও কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বুধবার একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। সেখানে সৌদি আরবে হুথিদের পক্ষ থেকে আরও হামলার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বিআলো/শিলি