ভোলার দৌলতখান পৌর বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন শত শত যাত্রী ভোলা, বাংলাবাজার, ঘুইংগারহাটসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এ বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য নেই কোনো ছাউনি কিংবা শৌচাগার। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের।
স্থানীয় যাত্রীদের দাবি, দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত বাসস্ট্যান্ডে একটি যাত্রী ছাউনি ও আধুনিক শৌচাগার নির্মাণ করা জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সকাল সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বাস চলাচল করলেও যাত্রীদের অপেক্ষা করার জন্য নেই কোনো বিশ্রামাগার। বৃষ্টি কিংবা তীব্র রোদে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় তাঁদের। অন্যদিকে, শৌচাগার না থাকায় অনেক সময় বয়স্ক যাত্রীরা বাধ্য হয়ে বাসের আড়ালে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারেন। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্য যাত্রীরাও অস্বস্তিতে পড়েন।
যাত্রী কহিনুর বলেন, “প্রস্রাবের বেগ এলে চেপে রাখা ছাড়া উপায় থাকে না।” একই অভিযোগ করেন জোবায়দা, রহিমা, ফাতেমা, নাসরিন, রিয়াজ, মোস্তাফিজসহ আরও অনেক যাত্রী।
এ বিষয়ে মেয়র প্রার্থী মো. রিয়াজ বলেন, মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পৌরবাসী তাঁকে দায়িত্ব দিলে দৌলতখান বাসস্ট্যান্ডে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি আধুনিক যাত্রী ছাউনি এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক শৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেবেন।
এমএ
