বগুড়ায় ৬১৩ নবনিযুক্ত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ উদ্বোধন, এসএসসিতে অকৃতকার্যদের পুনঃপরীক্ষার পরিকল্পনা
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ১০:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে পাঠদান করতে শিক্ষকদেরও তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, পেছনের বেঞ্চে বসা কিংবা প্রশ্ন করতে সংকোচ বোধ করা শিক্ষার্থীদেরও প্রশ্ন করার সুযোগ দিতে হবে। এ দায়িত্ব শিক্ষকদের। শিক্ষা ও শিক্ষকদের উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আট দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৬১৩ কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. সরদার মো. কেরামত আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াসিম মো. মেজবাহুল হক।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পুনঃপরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হতে না পারলে তাদের কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এদিন মন্ত্রী ‘১০০টি বিদ্যালয়ে খান একাডেমি, বাংলাদেশ’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন। এর মাধ্যমে বগুড়া, নেত্রকোনা ও কক্সবাজারের নতুন ১০০টি বিদ্যালয়ে শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পরে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।

