Published on
:
2 min read
এই সময়, ধূপগুড়ি: স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিবাদ মেটাতে সালিশি সভা ডাকা হয়েছিল। কিন্তু সেই সভাতেই দু’পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে শুরু হয় সংঘর্ষ। ধারালো অস্ত্র ও বাটাম দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আটজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ধূপগুড়ির মাগুরমাড়ি-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব আলতাগ্রামের প্রধানপাড়া এলাকায়। ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবিবুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী আলিমা খাতুনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক বিবাদ চলছিল। অভিযোগ, সম্প্রতি বিবাদের জেরে আলিমা তাঁর স্বামীর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেন। এরপর পারিবারিক বিবাদ মেটাতে সালিশি সভার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সভায় দু’পক্ষের বাড়ির লোকজনই উপস্থিত হন। অভিযোগ, সভা চলাকালীন দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষের রূপ নেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই সময় আলিমা ও তাঁর বাপের বাড়ির কয়েকজন সদস্য দাঁ, ধারালো অস্ত্র ও কাঠের বাটাম দিয়ে হামলা চালান। এতে আটজন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হন। হাবিবুর বলেন, ‘স্ত্রীর বাপের বাড়ির বেশ কয়েকজন মোটরবাইক নিয়ে আসেন। ওরাই লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধর করে।’ অভিযোগ অস্বীকার করেন আলিমা। খবর পেয়ে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ এলাকায় পৌঁছয়। তার আগেই উত্তেজিত এলাকাবাসী তিনজনকে আটক করেন। পরে পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যায়। আহত আটজন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানোর পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
হাবিবুর বলেন, ‘স্ত্রীর বাপের বাড়ির বেশ কয়েকজন মোটরবাইক নিয়ে আসেন। ওরাই লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধর করে।’ অভিযোগ অস্বীকার করেন আলিমা। খবর পেয়ে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ এলাকায় পৌঁছয়। তার আগেই উত্তেজিত এলাকাবাসী তিনজনকে আটক করেন। পরে পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যায়। আহত আটজন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানোর পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
