জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগেরই বয়স ১৩ বছরের কম৷
পাকিস্তানের এক টিভি চ্যানেলের ফুটেজে দেখা যায়, আল-খায়ের এডুকেশন সেন্টার নামের স্কুলটিতে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স যাচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে রক্তাক্ত শিক্ষার্থীদের বের করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন উদ্ধারকর্মীরা৷
জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ইফতিখার খান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘অন্তত ৪৫ জন শিশুকে আমরা উদ্ধার করেছি৷'' তিনি আরো জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো শিশু আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷
উদ্ধার-দলের এক কর্মকর্তা জানান, ওপরের তলার ছাদ ধসে শিক্ষার্থীদের ওপর আছড়ে পড়ায় দুই তলা ভবনটি ভেঙে পড়ে৷
‘ভবনটির কাঠামো দুর্বল ছিল’
পেশোয়ার পুলিশের প্রধান মিয়ান সাঈদ জানান, দুর্ঘটনার সময় তিনটি শ্রেণিকক্ষে মোট ১১০ জন শিক্ষার্থী ছিল৷ তাদের মধ্যে মাত্র ৪৭ জনকে এ পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে৷ তাই তার আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে৷ তিনি আরো বলেন, ‘‘ভবনটির কাঠামো দুর্বল ছিল৷ দুর্বল কাঠামোর ওপর অতিরিক্ত ভারি ছাদ নির্মাণের কারণেই তা ধসে পড়েছে৷''
এসিবি/ জেডএইচ (রয়টার্স এপি, এএফপি)
