The Sangbad · সাধারণ
পূজামণ্ডপে এবার বিজিবির সাঁজোয়া যান ও ডগ স্কোয়াড
১৯/১০/২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপন নিশ্চিত করতে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) খুলনা সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মাসুদুর রহমান। এ সময় তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ও সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে সীমান্তের বেনাপোল হরিদাস ঠাকুর পাটবাড়ি ও পেঁচোর বাওড় আশ্রমসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিজিবির এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।পরিদর্শন শেষে বিজিবির খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মাসুদুর রহমান জানান, সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো দুষ্কৃতকারী যাতে উৎসবের আনন্দময় পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে জন্য বিজিবি আগে থেকেই সতর্ক রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে ব্যাটালিয়ন সদরে একটি তদারকি সেল (মনিটরিং সেল) খোলা হয়েছে এবং সীমান্ত ফাঁড়িগুলোতে (বিওপি) অতিরিক্ত জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, যশোরের ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার আট কিলোমিটারের মধ্যে ২৯টি পূজামণ্ডপে এ বছর দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা ইতিমধ্যে দিন-রাত টহল, রেকি ও মোবাইল পেট্রোল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য চোরাচালান, নাশকতা ও অপরাধীদের তৎপরতা প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। খুলনা রিজিয়নের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত এলাকায় মোট ২২২টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দুই হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা ৫৮টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প থেকে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিজিবির বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ও আর্মর্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি) সাঁজোয়া যান।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗