টাইফুনের নামকরণ করা হয় জাতিসংঘের একটি সংস্থা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সংকলিত তালিকা থেকে। সংস্থাটির সদস্য দেশগুলো এই তালিকার জন্য নাম প্রস্তাব করে। এসব নামের কিছু ইংরেজিতে, আবার কিছু স্থানীয় ভাষা থেকে নেওয়া হয়।
যেমন, ডলফিন একটি ইংরেজি নাম। অন্যদিকে, চান হোম লাওসের একটি গাছের নাম, পেইলৌ ম্যাকাওয়ের একটি পরিযায়ী পাখির নাম এবং নাংকা মালয় ভাষায় কাঁঠালের নাম।
ফিলিপাইনের মতো কিছু দেশ নিজেদের মতো করে টাইফুনের স্থানীয় নামও ব্যবহার করে। কারণ, প্রতি বছর দেশটিতে বিপুলসংখ্যক ঝড় আঘাত হানে।
বর্তমানে টাইফুন চাম্পিকে ফিলিপাইনের আবহাওয়াবিদেরা ‘রোসাল’ নামে উল্লেখ করছেন। রোসাল হলো গার্ডেনিয়া ফুলের স্থানীয় নাম।
একই নাম একাধিক ঝড়ের ক্ষেত্রে আবারও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনো টাইফুন ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালালে সাধারণত সেই নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
এর উদাহরণ টাইফুন হাইয়ান। ২০১৩ সালে এই ঝড়ে ছয় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। ফিলিপাইনে ঝড়টি ইয়োলান্ডা নামে পরিচিত ছিল। প্রাণহানির ভয়াবহতার কারণে নামটি আর ব্যবহার করা হয় না।
গত বছরের নভেম্বরে ফিলিপাইন ও তাইওয়ানে আঘাত হানা টাইফুন ফুং ওংয়ের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। ফিলিপাইনে উয়ান নামে পরিচিত এই ঝড়ে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে এমন ঝড়ের নাম ভবিষ্যতে আবার ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
/অ
