নেত্রকোনায় কৃষিতে অবদানসহ ৩৩টি ক্যাটাগরিতে মোট ২৫ জন নারীকে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবসের সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে কৃষাণী ও তৃতীয় লিঙ্গের একজনও রয়েছেন।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বারসিকের সহযোগিতায় গ্রিন কোয়ালিশনের উদ্যোগে নেত্রকোনা সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের ফচিকা কুতুবপুর গ্রামের দারোগা বাড়িতে কৃষিজাত পণ্যের গ্রামীণ মেলা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‘নারীর জ্ঞান, যত্নে বাঁচাও পরিবেশের প্রাণ’ স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বারসিকের সমন্বয়কারী মো. অহিদুর রহমান সঞ্চালনা করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক ও গ্রিন কোয়ালিশনের সহসভাপতি আলপনা বেগম। প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফারজানা পারভীন, কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হক, মহিলা পরিষদের সম্পাদক ফাহমিনা সুলতানাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে দিনব্যাপী কৃষিবৈচিত্র্যবিষয়ক গ্রামীণ মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান।
মেলায় কৃষিজাত পণ্য, স্থানীয় ২২১ প্রজাতির ধানের বীজ, জৈব বালাইনাশক, গ্রামীণ নারীদের উৎপাদিত ৩৬ প্রকারের সবজি, অচাষকৃত ২৭ ধরনের খাদ্যপণ্য এবং বাঁশের তৈরি তৈজসপত্র প্রদর্শন করা হয়। এসব পণ্য ও কৃষিকাজের সঙ্গে ২৩টি গ্রামীণ নারী সংগঠনের ৪৬০ জন নারীর জীবন ও কর্ম জড়িত।
পরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের কাজ ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার তুলে দেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান।
স্থানীয় বীজ সংরক্ষণ, জৈব কৃষিচর্চা, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, প্রাণিসম্পদ পালন ও নারীর উন্নয়নে অবদানসহ ৩৩টি ক্যাটাগরিতে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননা পেয়ে কৃষাণীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা নারীরা উৎসাহিত হয়েছেন।
