অনলাইন ডেস্ক
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে দাপট দেখিয়ে বাংলাদেশের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করানোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে সিকান্দার রাজার দল। জিম্বাবুয়ের এই সাফল্যের পেছনে দলের ঐক্য, সংস্কৃতি ও ক্রিকেটারদের সামর্থ্যের ওপর পারস্পরিক বিশ্বাসকে বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক রাজা।
ম্যাচ শেষে রাজা বলেন, দলের প্রত্যেক ক্রিকেটার বিশ্বাস করেন, বল হাতে কিংবা ব্যাটিংয়ে যেকোনো পরিস্থিতিতে তাঁরা দলের জন্য অবদান রাখতে পারবেন। তাঁর মতে, খেলোয়াড়দের দক্ষতা, পারস্পরিক আস্থা ও দলের ঐক্যই জিম্বাবুয়ের শক্তির মূল জায়গা।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না জিম্বাবুয়ের। মাত্র ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। সেখান থেকে ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের ১৫০ রানের জুটি দলকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যায়।
এই জুটি নিয়ে রাজা জানান, ব্যাটসম্যানদের ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখার পাশাপাশি উইকেট, কন্ডিশন ও ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বার্তা ছিল, খেলার ছন্দ ভালো থাকলে অযথা বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
পরবর্তী ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ে। সেই ম্যাচে জয় বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে রাজা বলেন, আগে প্রথম ম্যাচের ধকল কাটিয়ে ওঠার দিকে মনোযোগ দিতে চান তাঁরা। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষেও নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান জিম্বাবুয়ের এই অলরাউন্ডার। তাঁর ভাষ্য, বিশ্বের যেখানেই তাঁরা খেলতে যান, জিম্বাবুয়ের সমর্থকেরা মাঠে এসে দলকে উৎসাহ দেন। সমর্থকদের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের বাড়তি শক্তি জোগায়।
