২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৭ পয়সায়।
ব্যাংক খাতের তালিকাভুক্ত এনসিসি ব্যাংক পিএলসির উদ্যোক্তা এমএ কাশেম তার কাছে থাকা ২ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। বিদ্যমান বাজারদরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাবলিক ও ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এসব শেয়ার বিক্রি করবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৩৯ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২১ শতাংশ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে এনসিসি ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২০ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৭ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এনসিসি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮২ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এনসিসি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৭ পয়সা।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনসিসি ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৫৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৮৬৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
