মির্জাগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ফরাজীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে ঘিরে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তাতে গভীর উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক, দলীয় সহকর্মীরা। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভূমিকা, দলের প্রতি অবদান, দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার ইতিহাস ও সামাজিক কর্মকা-কে যথাযথভাবে বিবেচনায় না নিয়ে তাকে কেবল একটি মামলার অভিযোগের আলোকে মূল্যায়ন করা কতটা সমীচীন সে প্রশ্ন সামনে এসেছে। জাহাঙ্গীর ফরাজী কেবল রাজনৈতিক পদবির নাম নন; তিনি মির্জাগঞ্জের বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত পরিচিত মুখ। তার সমর্থকদের মতে, দলের কঠিন সময়ে তিনি তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তিনি উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি এবং বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জানা গেছে, আমড়াগাছিয়া ইউপির নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়াই ছিল তার রাজনৈতিক পথচলার উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে রাজনৈতিক জীবনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রতিফলিত হয় না। নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা ও সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, স্থানীয় বিএনপিতে তার অবস্থান ক্ষুণœ করার চেষ্টা চলছে। তবে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন।