Published on
:
1 min read
এই সময়, বনগাঁ: বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি জাফর আলি মণ্ডল। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুট–সহ বিজেপির এক মহিলা প্রার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে জাফরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোপালনগর থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে। শুক্রবার ধৃতকে বনগাঁ আদালতে তোলা হলে দু’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
২০২৩–এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে বনগাঁ ব্লকের গঙ্গানন্দপুর পঞ্চায়েতের এলাকাভুক্ত পঞ্চায়েত সমিতির আসনে প্রার্থী হন জাফর। জেতার পর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি হন তিনি। বনগাঁ ব্লক এবং তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলায় জাফরের বেশ প্রভাব ছিল তৃণমূলের সময়ে। সহ সভাপতি হওয়ার আগে গঙ্গানন্দপুর পঞ্চায়েতের প্রধানও ছিলেন তিনি। ফলে এলাকায় তাঁর দাপট ছিল যথেষ্ট। ২০২৩–এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভোট লুট ও এক মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।
পালাবদলের পর চলতি মাসেই ওই বিজেপি মহিলা কর্মীর স্বামী গোপালনগর থানায় জাফরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তার পরেও অবশ্য এলাকাতেই ছিলেন জাফর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপালনগরের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত সেপ্টেম্বরে আগ্নেয়াস্ত্র–সহ বনগাঁ উত্তরের তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।এক মাসের ব্যবধানে গ্রেপ্তার হলেন জাফর আলি মণ্ডল। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলায় তৃণমূলের হেভিওয়েট দুই নেতা গ্রেপ্তার হওয়ায় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এই প্রসঙ্গে বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া বলেন, ‘এটা হওয়ারই ছিল। এখন রাজ্যে আইনের শাসন চলছে।’ পুলিশ জানিয়েছে, দু’দিনের পুলিশি হেফাজতে জাফরকে জেরা করে এই সংক্রান্ত আরও কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
