চিকিৎসা ব্যবস্থার অত্যাধুনিকীকরণের পাশাপাশি এবার সস্তায় রোগীদের ওষুধের ব্যবস্থা করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। সরকারি হাসপাতালগুলিতে যে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনঔষধি (পিএমবিজেকে) খোলা হবে সেগুলি যাতে উচ্চমানের পরিষেবা দিতে পারে তার জন্য পিপিপি মডেল চালু করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দপ্তর সূত্রে খবর, এই কেন্দ্রগুলি চালু করা, পরিষেবা দেওয়া, রক্ষণাবেক্ষণ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির জন্যই পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস, পিজি-র মতো প্রথম সারির একাধিক হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে থাকবে এই কেন্দ্র।
কলকাতার ১১টি হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়াও নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার একটি করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থাকছে।
ইতিমধ্যেই বেসরকারি সংস্থাকে সঙ্গে নিতে টেন্ডার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৬টি হাসপাতালে প্রথম পর্যায়ে পিপিপি মডেলে গড়ে উঠবে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনঔষধি কেন্দ্র। রাজ্যের প্রথম শ্রেণির প্রায় সবকটি হাসপাতালেই এই কেন্দ্র করা হচ্ছে। যার মধ্যে কলকাতার ১১টি হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়াও নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার একটি করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থাকছে। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনঔষধি কেন্দ্র প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছিল সাধারণ মানুষকে কম দামে ভালো মানের জেনেরিক ওষুধ দেওয়ার জন্য। এতদিন পর্যন্ত বিগত সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই প্রকল্পের কোনও সুবিধা নেওয়ার চেষ্টাই করেনি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবারই প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে হবে। সেইমতো রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলেছে।
দপ্তর সূত্রে খবর, কলকাতার এনআরএস, মেডিক্যাল কলেজ, আইডি, চিত্তরঞ্জন সেবা সদন, লেডি ডাফরিন ভিক্টোরিয়া, শম্ভুনাথ পণ্ডিত, কলকাতা পুলিশ হাসপাতাল, এসএসকেএম, স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন, ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, ড. আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজে এই কেন্দ্র থেকে সস্তায় ভালো মানের ওষুধ নেওয়া যাবে।
দপ্তর সূত্রে খবর, কলকাতার এনআরএস, মেডিক্যাল কলেজ, আইডি, চিত্তরঞ্জন সেবা সদন, লেডি ডাফরিন ভিক্টোরিয়া, শম্ভুনাথ পণ্ডিত, কলকাতা পুলিশ হাসপাতাল, এসএসকেএম, স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন, ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, ড. আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজে এই কেন্দ্র থেকে সস্তায় ভালো মানের ওষুধ নেওয়া যাবে। এ ছাড়াও নদিয়ার কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ, উত্তর ২৪ পরগনার সাগর দত্ত হাসপাতাল, পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ, হাওড়ার উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জিএমসিএইচগুলিতেও এই পরিষেবা মিলবে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, যে সমস্ত বেসরকারি সংস্থা নির্দিষ্ট করে দেওয়া মান পূরণ করতে পারবে, তাদের নিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে কেন্দ্রগুলো চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
