সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তা
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময় : ১০:২৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ১২ সাবেক উপদেষ্টা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে অনলাইন অপপ্রচার, হয়রানি ও হুমকি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
এক বিবৃতিতে সাবেক উপদেষ্টারা বলেন, বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে লক্ষ্য করে কটূক্তি ও চিৎকার-চেঁচামেচির ঘটনা ঘটেছে। তাঁর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হয়রানি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলার ঘটনায় তাঁরা গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংকটের সময়ে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনৈতিক লুটপাট, দুর্নীতি, কর্তৃত্ববাদী শাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্র পুনর্গঠনের চেষ্টা করেছে। গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধমূলক চর্চা বন্ধেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন সাবেক উপদেষ্টারা।
তাঁরা বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে প্রত্যাশা ছিল। তবে বর্তমানে কিছু ব্যক্তি ও স্বার্থান্বেষী মহল ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর পাশাপাশি তাঁকে শারীরিকভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভয়ভীতি, মিথ্যা তথ্য, অনলাইন হয়রানি কিংবা ব্যক্তিগত হুমকির মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে উঠে আসা সংস্কার ও মর্যাদার আকাঙ্ক্ষা নস্যাৎ করা যাবে না। তরুণদের আত্মত্যাগে অর্জিত পরিবর্তনের অঙ্গীকার থেকে তাঁরা বিচ্যুত হবেন না বলেও উল্লেখ করেন সাবেক উপদেষ্টারা।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, সি আর আবরার, ড. আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাখাওয়াত হোসেন, ফারুক ই আজম বীর প্রতীক, ফরিদা আখতার, শারমীন সোনিয়া মুরশিদ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

