সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টির শুরুতে ব্যাট করতে নেমে রানের পাহাড়ই গড়ে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। কিন্তু হাই-স্কোরিং ম্যাচে অনায়াসেই জয়টা তুলে নিলেন শ্রেয়াস আইয়াররা। ৪৫৫ রানের ম্যাচটি সফররত ভারত জিতেছে ৪ উইকেটে। তাতেই হয়েছে রেকর্ড। নিজেদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এটা ভারতের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড। তবে এই ম্যাচেও একাদশে সুযোগ মিলেনি বৈভব সূর্যবংশীর।
ক্রাইস্টচার্চে প্রথমে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রান করে কিউইরা। জবাবে ২ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ভারত।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আগ্রাসী ভঙ্গিমায় ব্যাট করতে থাকেন দুই ভারতীয় ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। মাত্র ৫.৫ ওভারে উদ্বোধনী জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ৯৩ রান। তাতেই জয়ের কাজটা সহজ হয়ে যায় তাদের। মাত্র ৩৩ বলে ৬৭ রান করে আউট হন স্যামসন। আর ১২ বলে ২৯ রান করেন অভিষেক।
এরপর ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি তিলক ভার্মা ও ইষাণ কিষাণ। ১১ বলে ৬ রানে তিলক ও ৩ বলে ১ রানে ইষাণ আউট হন। আর ১৪ বলে ২৪ রানে ক্যামিও ইনিংস খেলেন অক্ষর প্যাটেল।
ষষ্ঠ উইকেটে নমন ধীরকে নিয়ে ৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন দলনেতা শ্রেয়াস আইয়ার। ২৮ বলে ৪২ রান করেন আইয়ার। এরপর নিতিশ কুমার রেড্ডিকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন নমন ধীর। মাত্র ১৫ বলে ৪২ রান করেন নমন। আর ৩ বলে ২ রান করে অপরাজিত থাকেন নিতিশ।
এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রন জানান ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো সূচনা পায় কিউইরা। ওপেনিং জুটিতে আসে ৪৯ রান। ১৭ বলে ২৪ রান করেন টিম শেইফার্ট। আরেক ওপেটনার ফিন অ্যালেন আউট হওয়ার আগে করেন ২৪ বলে ৪৫ রান। আর ড্যারেল মিচেল করেন ১৯ বলে ২৮ রান।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে বেভন জ্যাকবসকে নিয়ে ক্রিজে রীতিমতো ঝড় তোলেন গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ৩২ বলে এই দুই ব্যাটার গড়েন ৭৩ রানের জুটি। তাতেই বড় সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। ১৬ বলে ৩১ রান করে আউট হন জ্যাকবস।
এদিকে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলে যান ফিলিপস। দ্রুত ফিফটি পূরণের পর ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন এই ডানহাতি ব্যাটার। মাত্র ৪০ বলে খেলা তার এই অপ্রতিরোধ্য ইনিংসটি ৮টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো। আর ৬ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন ব্রেসওয়েল।
