মঙ্গলবার মধ্য কলকাতার একটি সভাগৃহে আয়োজন করা হয়েছিল রাজ্য ফুটবল সংস্থা আইএফএ-র বিশেষ সাধারণ সভা। সেখানেই জাতীয় ক্রীড়ানীতি মেনে নতুন সংবিধান গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে আইএফএ-র গঠনতন্ত্র বদলে যেতে চলেছে। আর যে সচিব পদ থাকছে না, তা আগেই জানিয়েছিল আনন্দবাজার ডট কম। শনিবারের সভায় সেটিই জানানো হয়। পাশাপাশি, নির্বাচনের প্রস্তুতিও শুরু করে দেওয়া হয়েছে।
আইএফএ-র গৃহীত নতুন সংবিধান অনুযায়ী, একজন সভাপতি, একজন সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ন্যূনতম একজন মহিলা-সহ সভাপতি-সহ তিন জন সহ-সভাপতি, একজন কোষাধ্যক্ষ, নির্বাচিত দু’জন এসওএম এবং স্টেট প্লেয়ার্স কাউন্সিল থেকে নির্বাচিত দু’জন প্রতিনিধি-সহ দশ জনের কর্মসমিতি গঠিত হবে।
নির্বাচিত ১৫ জন কর্মসমিতির সদস্যের মধ্যে অন্তত চার জন মহিলা হতে হবে। তাঁদের মধ্যে অন্তত একজন মহিলা সহ-সভাপতি, একজন মহিলা এসওএম প্রতিনিধি এবং একজন মহিলা স্টেট প্লেয়ার্স কাউন্সিলের প্রতিনিধি থাকতে হবে। সচিব পদাধিকারবলে কর্মসমিতির সভায় উপস্থিত থাকতে পারলেও তাঁর ভোটাধিকার থাকবে না। তিনি নির্বাচিত ১৫ জন পদাধিকারীর অন্তর্ভুক্তও হবেন না।
কর্মসমিতির মেয়াদ হবে চার বছর। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই সেই মেয়াদ শুরু হবে। গৃহীত প্রস্তাবে আইনসম্মত কোনও অন্তর্বর্তীকালীন তারিখ নির্দিষ্ট করা থাকলে তা প্রযোজ্য হবে।
আরও জানানো হয়েছে, সভাপতি, তিন সহ-সভাপতি এবং কোষাধ্যক্ষ আলাদা অথবা একসঙ্গে পর পর সর্বোচ্চ তিনটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এর পর চার বছরের ‘কুলিং-অফ’ সম্পূর্ণ না করা পর্যন্ত তাঁরা ওই পদগুলিতে আবার নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না।
এ দিনের সভায় নতুন সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর সংস্থার নির্বাচনের দিন ক্ষণ ঘোষণা করা হয়। আগামী ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা। দ্রুত মনোনয়ন গ্রহণ এবং স্ক্রুটিনির প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওই সভাতেই নতুন কর্মসমিতির নির্বাচন হবে। বর্তমান সভাপতি সুব্রত দত্ত জানিয়েছেন, তাঁকে কুলিং-অফে যেতে হওয়ায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
