মনপুরা প্রতিনিধি ॥
ভোলার মনপুরার বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়নে জেলেদের সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণের সময় স্থানীয় ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হট্টগোল করে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এতে জেলেদের মধ্যে চাল বিতরণ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করার সময় স্থানীয় এক সাংবাদিককে মারধর করার অভিযোগ ওঠে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়নের মনির বাজার অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
মারধরে আহত সাংবাধিক হলেন, দৈনিক স্বাধীন সংবাদ মনপুরা উপজেলা প্রতিনিধি আঃ গফুর সিকদার। তিনি মনপুরা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য।
বিবাধে জড়িয়ে যাওয়া ছাত্রদলের নেতারা হলেন, কলাতলী ইউনিয়নের ছাত্রদলের নেতা শামীম ও সোহাগ। দুইজনই ওই ইউনিয়নের ছাত্রদলের সভাপতি ও স¤পাদক পদ প্রত্যাশী।
জানা যায়, বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়নের মনির বাজারে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে জেলেদের সরকারি চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা শামীম ও অপর ছাত্রদল নেতা সোহাগসহ অনুসারীরা নিজেদের মধ্যে হট্টগোল করে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এই সময় জেলেদের চাল বিতরণ বন্ধ করে দেয় চাল বিতরণে দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার মনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ মতিন মাষ্টার। এই সময় স্থানীয় সাংবাদিক আঃ গফুর ছবি ও ভিডিও করায় মারধর করা হয়।
এই ব্যাপারে মারধরে আহত সাংবাদিক গফুর জানান, জেলেদের চাল বিতরণের সময় ছাত্রদলের দুই গ্রুপের হট্রগোল শুরু হলে ছবি ও ভিডিও করায় তারা আমাকে মারধর করে।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক একরাম কবির জানান, কলাতলী ইউনিয়নে ছাত্রদলের কোন কমিটি নাই। কারো ব্যক্তির দায় ছাত্রদল নেবে না।
এই ব্যাপারে মনপুরার কলাতলী ইউনিয়নের জেলদের চাল বিতরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার মনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ মতিন মাষ্টার জানান, ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গন্ডগোল করায় চাল বিতরণ সাময়িক চাল বিতরণ বন্ধ রাখা হয়।
এই ব্যাপারে কলাতলী ইউনিয়নের দায়িত্বরত প্রশাসক উপজেলা নির্বাচন অফিসার গিয়াস উদ্দিন জানান, ছাত্রদলের দুই গ্রুপ নিজেদের মধ্য বিবাদে জড়িয়ে পড়লে সাময়িক চাল বিতরণ বন্ধ থাকে। পরে চাল বিতরণ শুরু হয়।