কম ঘুমিয়ে পড়াশোনা নয়
যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) বলছে, পর্যাপ্ত ঘুম শিশু-কিশোরদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Published : 14 Oct 2026, 01:40 PM
Updated : 14 Oct 2026, 12:10 PM
পরীক্ষা সামনে থাকলে আমরা অনেকেই পড়ার সময় বাড়াতে রাত জাগি। মনে করি, বেশি সময় জেগে পড়লে বেশি কিছু শেখা যাবে। কিন্তু ঘুম কমিয়ে পড়াশোনা করলে উল্টো শেখার কাজে সমস্যা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) বলছে, পর্যাপ্ত ঘুম শিশু-কিশোরদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এর মানে হল ঘুমের অভাবে ক্লাসে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে। ঘুমের সঙ্গে নতুন কিছু শেখা ও মনে রাখার সম্পর্ক রয়েছে।
এছাড়া ঘুমের অভাব আমাদের মেজাজেও প্রভাব ফেলতে পারে। এতে বিরক্তি বাড়তে পারে, মন খারাপ হতে পারে এবং পড়াশোনার চাপ সামলানো কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
তবে কতক্ষণ ঘুমানো প্রয়োজন, তা বয়সের ওপর নির্ভর করে। আমেরিকান একাডেমি অব স্লিপ মেডিসিনের সুপারিশ অনুযায়ী, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের প্রতিদিন ৯ থেকে ১২ ঘণ্টা এবং ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন।
ভালো ফল করার জন্য শুধু কতক্ষণ পড়ছি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ নয়। কতটা মনোযোগ দিয়ে শিখছি, তাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য সময় রাখা দরকার। কারণ, পর্যাপ্ত ঘুম শরীর ও মনকে সতেজ রাখতে এবং শেখার কাজে সহায়তা করতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: কিশোরগঞ্জ।
