হঠাৎ হড়পা বান। জলরোষের মুখে পড়ে মানব সভ্যতা। খেলনার মতো ভেসে যায় বড় ইমারত, সেতু। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পর্যটক, হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু। নিখোঁজ বহু। এখনও তাঁদের ফিরে আসায় অপেক্ষায় পরিবার। এই তালিকায় রয়েছেন বাংলার অনেকে। এ দিকে অপেক্ষার শেষ। উমা এসেছেন ঘরে। ১৭ তম বর্ষে দেবীর আরাধনার পাশাপাশি সহনাগরিক ও নেপালে পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছে দুর্গাপুরের ডিপিএল টাউনশিপের প্রান্তিক ক্লাব। এবারে তাঁদের পুজো থিম ‘চোখের জলে ভাসছে নেপাল’। প্রতিমাতেও চমক রেখেছেন তাঁরা।
মণ্ডপের প্রতিটি কোনায় রয়েছে নেপালের দুর্যোগে বিপর্যস্ত জনজীবনের ছবি। আসল গাড়ি, বাসনপত্র, শোকেস, সিলিন্ডার-সহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে মণ্ডপ। উপকরণগুলির মাধ্যমে নেপালের বিপর্যয়ের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন শিল্পীরা।
View this post on InstagramA post shared by Durgapur Social Media (@durgapursocialmedia)
এই প্রথম নয়। আগেও বিভিন্ন বিপর্যয়কে থিম হিসাবে বেছে নিয়ে মণ্ডপ করেছে প্রান্তিক ক্লাব। এইবার নেপালের দুর্যোগকে থিম হিসাবে বেছে নিয়েছে তাঁরা। কিন্তু কেন? ক্লাব কর্তৃপক্ষের দাবি, পুজো যেমন আনন্দের। তেমনই অসহায়, বিপন্নদের পাশে দাঁড়ানোর সময়ও বটে। অকালে হারিয়ে যাওয়া সহনাগরিকদের যেন কেউ ভুলে না যায়, তার জন্যই এই উদ্যোগ বলে জানাচ্ছেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। প্রান্তিক ক্লাবের এ বারের পুজোর বাজেট প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। শুধু মণ্ডপই নয়, প্রতিমাতেও চমক রয়েছে। প্রতিমায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মাতৃরূপ।
