Published on
:
2 min read
এই সময়, মেদিনীপুর: মণ্ডপে মণ্ডপে ধীরে ধীরে ভিড় করতে শুরু করে দিয়েছেন দর্শনার্থীরা। তার জেরে বাড়ছে যানজট। আজ, পঞ্চমী থেকেই তাই মেদিনীপুর ও খড়গপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। ইতিমধ্যেই পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকে প্রচার করে সাধারণ মানুষ ও গাড়িচালকদের সতর্ক করা হয়েছে।
চতুর্থী থেকেই পুজো মণ্ডপে ভিড় করতে শুরু করে দিয়েছেন দর্শনার্থীরা। তার সঙ্গে চলছে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা। তার জেরে যানজট বাড়ছে বাড়ছে। সে কারণে পঞ্চমীর দিন থেকেই মেদিনীপুর ও খড়গপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। সূত্রের খবর ১৫ অক্টোবর, পঞ্চমীর দিন থেকে প্রতিদিন বিকেল ৩ টে থেকে পরের দিন ভোর ৩ টে পর্যন্ত নির্দিষ্ট এলাকায় অটো, টোটো, গাড়ি-সহ বিভিন্ন যান চলাচল বন্ধ রাখা হবে। ইতিমধ্যেই পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকে সচেতনও করা হয়েছে সাধারণ মানুষ ও গাড়িচালকদের।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর দিনগুলিতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে। বিশেষ করে সন্ধের পরে প্রতিমা দর্শনে বেরিয়ে পড়েন সকলে। যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাস্তা দিয়ে নির্বিঘ্নে হাঁটাচলা এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও মোড়ে পর্যাপ্ত পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে। ভিড় সামলাতে, যানবাহনের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশেষ নজরদারিও চালানো হবে।
প্রতিবছর দুর্গাপুজোর সময়ে মেদিনীপুর ও খড়গপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। এ বারও আগাম পরিকল্পনার মাধ্যমে যানজটের সমস্যা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কোন কোন রাস্তায় কী ধরনের যান চলাচলে ছাড় থাকবে, সে বিষয়ে পুলিশের নির্দিষ্ট নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা সুবল মাইতি, কাকলি জানা ও প্রদীপ মান্নারা পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের কথায়, 'পুজোর সময়ে এত মানুষের ভিড় হয় যে যান নিয়ন্ত্রণ না করলে রাস্তায় হাঁটাচলা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। পুলিশের স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের বিধিনিষেধ অমান্য করলে চালকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।