বেগুন ভাজা হোক কিংবা তরকারি সবজি কাটার পর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর খোসা ফেলে দেওয়া হয়। অথচ এই বেগুনের খোসার মধ্যে যে পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং পুষ্টিগুণ থাকে তা দিয়ে একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে জৈব সার থেকে শুরু করে চুল এবং ত্বকের যত্নের জন্য অত্যন্ত উপকারী উপাদান তৈরি করা যেতে পারে। তাই এবার থেকে বেগুনের খোসা ফেলে না দিয়ে এগুলি সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে জেনে নেওয়া যাক, বেগুনের খোসা ব্যবহারের পাঁচটি কার্যকর উপায়।
১. জৈব সার তৈরিতে
পটাশিয়াম, আয়রন এবং অন্যান্য খনিজ উপাদানে ভরপুর বেগুনের খোসা জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বেগুনের খোসা রোদে শুকিয়ে নিয়ে কম্পোস্ট তৈরির কাজে ব্যবহার করুন। তবে এটা সরাসরি গাছের গোড়ায় না দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়াই ভাল। এটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করার পাশাপাশি গাছের দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
২. ত্বকের যত্নে
ত্বকের ট্যান দূর করতে বেগুনের খোসা খুবই উপকারী। বেগুনের খোসা সামান্য পিষে, ত্বকের ট্যান পড়া জায়গায় লাগিয়ে নিলে তা ট্যান দূর করতে সাহায্য করে।
৩. চুলের উজ্জ্বলতা ফেরাতে
বেগুনের খোসা সিদ্ধ করে নিন। এরপর ওই খোসা সিদ্ধ করা জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেললে চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরবে এবং শুষ্কতা দূর হবে।
৪. ঘরোয়া ক্লিনজার
বেগুনের খোসা সিদ্ধ করা জলে সামান্য লেবুর রস এবং লবণ মিশিয়ে নিন। এই জল দিয়ে তামা কিংবা পিতলের বাসন পরিষ্কার করলে তা একেবারে নতুনের মতো হয়ে ওঠে।
https://youtu.be/ixVZIaFsQVc?si=yRyhGZucfCsNbmOq
৫. ঘরোয়া কম্পোস্ট তৈরিতে
ঘরোয়া কম্পোস্ট তৈরি করার জন্য রান্নাঘরের অন্যান্য সমস্ত সবজির খোসার সাথে বেগুনের খোসাও রেখে দিন। এটি খুব তাড়াতাড়ি পচে যায় এবং খুব ভাল ঘরোয়া কম্পোস্ট তৈরি করে।
