- ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আশা জাগিয়েও এল না বোনাস পয়েন্ট। তবে রনজি অভিযানের শুরুটা সরাসরি জয়ের মাধ্যমেই হল অভিমন্যু ঈশ্বরণ বাহিনীর। বুধবার কল্যাণীতে ম্যাচের চতুর্থ দিনে দিল্লিকে ৯ উইকেটে হারাল বাংলা। একই সঙ্গে পকেটে পুরল ৬ পয়েন্ট। ১৮ অক্টোবর শুরু বাংলার পরের ম্যাচ। প্রতিপক্ষ সার্ভিসেস। খেলা হবে রাজধানীর পালাম গ্রাউন্ডে।
এদিন চতুর্থ ইনিংসে জেতার জন্য করতে হত ৮৯ রান। কোনো উইকেট না হারিয়ে হোমটিম লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে কিনা, তা নিয়েই ছিল টানটান উত্তেজনা। কারণ বোনাসের জন্য বাড়তি পয়েন্ট পেতে গেলে দশ উইকেটে জেতা জরুরি। অভিষেককারী ওপেনার অঙ্কুর পালের ক্যাচ যশ ধুল ফেলে দেওয়ায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিল বঙ্গ শিবির। তবে শেষরক্ষা হয়নি। ৪১ বলে ৩৮ করে ফেরেন অঙ্কুরই। ওখানেই চুরমার সাত পয়েন্টের স্বপ্ন। এরপর ক্যাপ্টেন অভিমন্যু (৪০ বলে ৩৪) ও সুদীপ ঘরামি (১২ বলে ১৬) জিতিয়ে ফেরেন দলকে। ১৫.৩ ওভারে টার্গেটে পৌঁছায় বাংলা (৮৯-১)।
সকালে তিন উইকেটে ১০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিল দিল্লি। চতুর্থ উইকেটে ক্যাপ্টেন আয়ুষ বাদোনির সঙ্গে অনুজ রাওয়াতের জুটি এই সময় টেনশন বাড়িয়ে তোলে। দু’জনে যোগ করেন ৯৫ রান। এই পার্টনারশিপ ভাঙেন আমির গোনি। তিনি ফেরান অনুদকে (৩৯)। পঞ্চম উইকেটে যশ ধুলের সঙ্গে বাদোনির জুটিতে ওঠে ৪৫ রান। তবে ধুল (২২) ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাগ-আউটের পথে হাঁটেন বাদোনি (৮৫)।
দিল্লি যদিও লড়াই ছাড়েনি। নবম ও দশম উইকেটে তারা ২০.৫ ওভার খেলে দেয়। ফলে রান তাড়া করার ক্ষেত্রে সময় কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বাংলার বোলাররা বাজিমাত করেন। ২৭৭ রানে দাঁড়ি পড়ে দিল্লির ইনিংসে। প্রদীপ্ত প্রামাণিক (৩-৭২), সুমন্ত গুপ্ত (২-২০), আমির গোনি (২-৮৪) উইকেট ভাগ করে নেন। তিন পেসার, মহম্মদ সামি, আকাশ দীপ, মুকেশ কুমারও নেন একটি করে উইকেট।
