পুজোপার্বণের পর কাজে যোগ দিতে এমনিতেই গা ম্যাজম্যাজ করে। শারীরচর্চা করতেও ইচ্ছে করে না। শরীর জুড়েই যেন ক্লান্তির ছাপ। চনমনে ভাবটাই উধাও হয়ে গিয়েছে। কোনও কাজেই যেন মন বসছে না। শরীর ও মনের এই ক্লান্তি কাটবে সহজ কিছু যোগ মুদ্রায়। যোগাসনের কোনও জটিল ভঙ্গি নয়। এমন কিছু মুদ্রা, যা নিয়ম করে অভ্যাস করলে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে। ক্লান্তি কাটবে।
কোন ধরনের যোগ মুদ্রায় শরীর ও মনের ধকল কাটবে?
চিন্ময় মুদ্রা
চিন্ময় মুদ্রা
পিঠ টানটান করে সুখাসনে বসুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এ বার বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দিয়ে তর্জনীর ডগা স্পর্শ করুন। এই পর্যায়ে গভীর ভাবে শ্বাস নিতে হবে। হাতের বাকি আঙুলগুলি মুড়িয়ে তালু স্পর্শ করে রাখতে হবে। গভীর ভাবে শ্বাস টেনে মুদ্রার ভঙ্গি করতে হবে। মুদ্রারত অবস্থায় দুই হাত হাঁটুর উপর রাখতে হবে। মুদ্রাটি করার সময়ে শ্বাস কিছুক্ষণ ধরে রেখে আবার ছেড়ে দিতে হবে।
গণেশ মুদ্রা
গণেশ মুদ্রা
পা মুড়ে সুখাসনে বসুন। পদ্মাসনেও বসতে পারেন। বাঁ হাত ভাঁজ করে বুকের কাছে আনুন। হাতের তালু বাইরের দিকে থাকবে। এর পর ডান হাত একই ভাবে বুকের কাছে এনে মুঠো করে বাঁ হাতের আঙুলগুলি ধরুন। ডান হাতের তালু কিন্তু ভিতরের দিকে থাকবে। দুই হাত এই ভাবে মুষ্টিবদ্ধ করতে হবে । দুই হাতের আঙুল পরস্পরের সঙ্গে মুষ্টিবদ্ধ রেখেই গভীর ভাবে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। এই ভাবে শুরুতে পাঁচ সেট করে মুদ্রাটি অভ্যাস করুন।
প্রাণ মুদ্রা
প্রাণ মুদ্রা
প্রথমে ম্যাটের উপর সোজা হয়ে বসুন। শ্বাসপ্রশ্বাস একেবারে স্বাভাবিক থাকবে। পিঠ, কোমরও টান টান রাখতে হবে। এ বার দুই হাতের কনিষ্ঠা এবং অনামিকা একত্রিত করে বৃদ্ধাঙ্গুলের কাছাকাছি নিয়ে আসুন। খেয়াল রাখতে হবে অন্যান্য আঙুল যেন ভাঁজ না হয়। এই ভাবে দু’টি হাঁটুর উপর দু’হাত রেখে মিনিট দশেক শান্ত হয়ে বসে থাকার চেষ্টা করুন।
